1. Hi Guest Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Huge Collection E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic যৌথ পরিবারে শরয়ী পর্দা রক্ষা করে চলা কি সম্ভব?

Discussion in 'Role Of Islam' started by বুশরা, Nov 7, 2017. Replies: 3 | Views: 54

  1. বুশরা
    Offline

    বুশরা Senior Member Member

    Joined:
    Mar 13, 2013
    Messages:
    1,225
    Likes Received:
    290
    Gender:
    Female
    Location:
    Mirpur-1,Dhaka
    Reputation:
    277
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আর্থিক অবস্থা বা অন্যান্য অনিবার্য কারনে অনেক পরিবারের পক্ষেই আলাদা বাসা নিয়ে থাকা সম্ভব হয় না।

    যৌথ পরিবারে শরয়ী পর্দা রক্ষা করে চলা কি আদৌ সম্ভব?

    আমাদের বড় ভাইয়ের বিয়ের পর আমাদের আব্বা আমিসহ বাকী দুই ভাইদের কাছে ডেকে বলেন, "দেখো, আমরা যখন মাদরাসায় পড়ালেখা করেছি তখন সমাজে অনেক কুসংস্কার ছিলো। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শরীয়তের অনেক হুকুম মানা যেত না। এখন তোমরা মাদরাসায় পড়েছো। আলেম হয়েছ। দ্বীনের ইলম অর্জন করেছ। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম বাস্তবায়ন করে চলা দরকার এবং তোমরা শরয়ী হুকুম মেনে চলবে।"
    এরপর আব্বা বললেন, "তোমাদের ঘরে নতুন সদস্য এসেছেন। তিনি তোমাদের ভাবী। শরয়ী হুকুম অনুযায়ী তাকে দেখা তোমাদের জন্যে জায়েয নয়। তাই তোমরা তাকে দেখার চেষ্টা করিও না।"

    আব্বা এতোটুকু বলেই থামলেন। আমরা আব্বার কথা আমল করার নিয়তে শুনি এবং আমল অব্যাহত রাখি। আলহামদুলিল্লাহ।

    কিছুদিন পর আমাদের পরিবারের সব সদস্য বৃটেন চলে যান। দেশে শুধু আমি, বড়ভাই ও বড়
    বোন তাদের পরিবারসহ রয়ে যাই।

    বাসায় থাকতাম আমি, ভাই ও ভাবী। একই বাড়িতে, একই ছাদের নিচে। আর বোন থাকতেন তাঁর স্বামীর বাড়ীতে।

    যেহেতু ভাই-ভাবী ও আমি একই ছাদের নিচে থাকতাম তাই একই ছাদের নিচে পর্দা রক্ষা করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তারপরেও আমরা হাল ছাড়ি নি। আমি আমার রুমেই থাকতাম। আমার রুমে এটাচড বাথরুম। তাই প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে বাইরে যেতে হত না।

    খাবারের সময় দস্তরখানে খাবার প্রস্তুত হলে, ভাই
    খাবারের জন্যে ডাকতেন। বিভিন্ন ওয়াক্তের নাস্তা আমার রুমে ভাই নিজে নিয়ে উপস্থিত হতেন। ভাই বাসায় ভাই না থাকলে ভাবী আমার জন্যে খাবার বা নাস্তা প্রস্তুত করে টেবিলে রেখে আমার দরজায় টোকা দিতেন। কম বয়েসি কাজের মেয়ে থাকলে কাজের মেয়ে ডেকে দিত।

    বাহির থেকে যখন বাসায় ফিরতাম, তখন বাসায় ভাই থাকলে তিনি দরজা খুলে দিতেন। ভাই না থাকলে কলিংবেলে চাপ দেওয়ার পর আমি দরজার অন্যপাশে মুখ ফিরিয়ে রাখতাম। (ভাই থাকলে তিনি যে আওয়াজ করতেন, ভাবী সে আওয়াজ করতেন না। তাই আমার বুঝতে অসুবিধা হত না, দরজা কে খুলছেন? ভাই না ভাবী?) যাই হোক, দরজা খোলার পর আমি নীরবে আমার রুমে প্রবেশ করতাম।

    ভাইয়ের বিয়ের পর দেড়-দুই বছর এভাবে চলি। ইতোমধ্যে ভাতিজারা দুনিয়াতে আসা শুরু করে। আস্তে আস্তে তারা বড় হয়। টুকটাক কাজ তারাই করে দেয়। পূর্বের মতো এত কষ্ট হয় না কিন্তু পর্দা তার পর্দার জায়গায় আছে।

    এত লম্বা করে নিজের অবস্থার বিবরণ দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো যে, ইচ্ছা করলে যৌথ পরিবারেও শরয়ি পর্দা রক্ষা সম্ভব। শুধু প্রয়োজন সদিচ্ছা এবং পরিবারকর্তার দৃঢ় সচেষ্ট অবস্থান।

    একই বাড়ীতে, একই ছাদের নিচে শুধু আমরাই নই, বাংলাদেশের অনেক দ্বীনদার পরিবার পর্দা রক্ষা করে চলছেন।

    বর্তমান সময়ের নিপীড়িত শরয়ি আহকামের মধ্যে একটি হচ্ছে শরয়ি পর্দা আর যৌথ পরিবারে পর্দা রক্ষা না করার পক্ষে অনেকে অনেক বাহানা খুঁজেন। এসব বাহানা দাঁড় করিয়ে নিজেকে প্রতারিত করতে পারলেও আল্লাহ থেকে ছাড় পাওয়া সম্ভব নয়।
    হাদীস শরীফে এসেছে- 'দেবর-ভাসুর হচ্ছে (একজন নারীর জন্যে) মৃত্যু
    স্বরূপ'।
    কারণ পারিবারিক গোনাহের কারণ এরাই বেশি হয়।

    দুঃখজনক হলেও সত্য যে, একই ছাদের নিচে পর্দা রক্ষা করা গেলেও ছাদের বাহিরে যখন বের হই, তখন সেভাবে নজরের হেফাজত হয় না। বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়ী গেলে মাদরাসা পড়ুয়া চাচাত-খালাত, ফুফাত-মামাতো-তালতো বোনদের সাথে পর্দা রক্ষা করা গেলেও, এদের বাহিরে অনেকের সাথে অনিচ্ছাকৃত সে
    পর্দা রক্ষা হয় না। এর কারণ পর্দা রক্ষা করার ক্ষেত্রে তাদের আন্তরিকতার অভাব, পরিবারকর্তার উদাসীনতা, শরয়ি আহকাম না জানা ইত্যাদি।

    যদি পরিবার প্রধান পর্দা রক্ষার ব্যাপারে দৃঢ় হন, পরিবারে দীনি ইলম থাকে এবং সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিক হই, তাহলে আশা করি যৌথপরিবারসহ অন্যান্য পারিবারিক-সামাজিক ক্ষেত্রে পর্দা রক্ষা করা সম্ভব।

    বর্তমান ফেতনার যুগ। তাই অন্যান্য শরয়ি আহকামের মতো পর্দা রক্ষা করাও অনেক কঠিন। তাই আলতু-ফালতু, অহেতুক-অনর্থক বাহানা না খুঁজে শরয়ি হুকুম পালনে সচেষ্ট হই।

    ফেতনার যুগে ইবাদত করার ফযীলত অনেক বেশি। মুসলিম শরীফসহ অন্যান্য হাদীসের গ্রন্থে এসেছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, হারাজে (ব্যাপক ফেতনা, বিশৃংখলা, গুম, হত্যার যুগে)র ইবাদত করা আমার দিকে হিজরত করার মত (সোয়াব)।

    আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে সর্বাবস্থায় তাঁর ও তাঁর হাবীবের নির্দেশিত পথে চলার তাওফীক দিন। আমীন।

    -আব্দুল্লাহ মায়মুন
     
    AANIS, ataur, aarif and 1 other person like this.
  2. morsalin
    Offline

    morsalin Junior Member Member

    Joined:
    Jan 25, 2017
    Messages:
    386
    Likes Received:
    130
    Gender:
    Male
    Location:
    hizla,aminbazar,savar
    Reputation:
    106
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    এভাবে ভেবে দেখি নি। সত্যি সম্ভব।
     
  3. aarif
    Offline

    aarif Senior Member Member

    Joined:
    Aug 29, 2012
    Messages:
    1,016
    Likes Received:
    179
    Gender:
    Male
    Reputation:
    286
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ভাল শেয়ার।
     
  4. nobish
    Offline

    nobish Welknown Member Staff Member Moderator

    Joined:
    Apr 28, 2013
    Messages:
    6,612
    Likes Received:
    2,250
    Gender:
    Male
    Location:
    Jessore
    Reputation:
    627
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    বুশরার কি এটা প্রথম শেয়ার?
    ঠিক মনে পড়ছে না।
    তবে খুব ভাল শেয়ার!
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)