1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic মুক্তিপ্রাপ্ত দল কোনটি?

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Oct 12, 2018. Replies: 20 | Views: 96

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আর এই অল্প সংখ্যক হক্বপন্থী লোকদের কেউ কোন ক্ষতি করতে পারবে না, তাদেরকে নিশ্চিহ্নও করতে পারবে না। তারা সংখ্যায় কম হ’লেও ক্বিয়ামত পর্যন্ত টিকে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

    (২) রাসূল (ছাঃ) মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পরিচয় প্রসঙ্গে অন্য হাদীছে বলেন, ما انا عليه وأصحابى. ‘(মুক্তিপ্রাপ্ত দল) হচ্ছে আমি ও আমার ছাহাবীগণ যে পথের উপর আছি’। (ছহীহ তিরমিযী হা/২১২৯; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৩৪৮; হাকেম ১/১২৯; আহমাদ বিন হাম্বল, সুন্নাতের মূলনীতি, বাংলায় ইসলাম, (ইংল্যান্ড দ্বিতীয় সংস্করণ, এপ্রিল ২০০২), পৃঃ ২৪।) অন্য বর্ণনায় এসেছে, سَتَفْتَرِقُ أُمَّتِيْ عَلَى ثَلاَثٍ وَّسَبْعِيْنَ مِلَّةً كُلُّهُمْ فِي النَّارِ إِلاَّ وَاحِدَةً قِيْلَ َمَنْ هُمْ يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ الَّذِيْنَ عَلَى مَا أَنَا عَلَيْهِ وَأَصْحَابِيْ- ‘আমার উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। একটি দল ছাড়া সবাই জাহান্নামে যাবে। জিজ্ঞেস করা হ’ল, তারা কারা হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! তিনি বললেন, ‘যারা আমার ও আমার ছাহাবীদের আদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত’। (তিরমিযী হা/২৬৪১; মিশকাত হা/১৭১ ‘কুরআন ও সুন্নাহ দৃঢ়ভাবে অাঁকড়ে ধরা’ অনুচ্ছেদ; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১০৪৮।)

    এই হাদীছেও রাসূল (ছাঃ) মুক্তিপ্রাপ্ত কোন দলের নাম বলেননি; বরং বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন। রাসূল (ছাঃ) কোন দলের নাম বললে সবাই সেই দলের অনুসারী বলে দাবী করত। এজন্য রাসূল (ছাঃ) বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন, যাতে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের উপরে আমল করার মাধ্যমে রাসূল (ছাঃ)-এর উদ্দীষ্ট দল তৈরী হয়।
     
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    হাদীছের আলোকে মুক্তিপ্রাপ্ত দলের বৈশিষ্ট্য হ’ল রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীগণ যে পথের অনুসারী ছিলেন সে পথের অনুসরণ করা। কুরআনের অসংখ্য আয়াতে আল্লাহর অনুসরণের পাশাপাশি রাসূলের অনুসরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন, قُلْ أَطِيْعُواْ اللهَ وَالرَّسُوْلَ فإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللهَ لاَ يُحِبُّ الْكَافِرِيْنَ-‘আপনি বলুন, তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের অনুসরণ কর, যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে রাখ নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফিরদের ভালবাসেন না’ (আলে ইমরান ৩/৩২)। এছাড়াও সূরা নিসা ১৩-১৪, ৫৯, ৬০-৬১, ৭৯-৮০; মায়েদা ৯২; আনফাল ২৪, ৪৬; নহল ৪৪ ও নূর ৬৩ আয়াতে এ বিষয়ে আলোচনা এসেছে।

    রাসূল (ছাঃ)ও বিভিন্ন হাদীছে তাঁর অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষত মতপ্রার্থক্যের সময় রাসূলের ও খুলাফায়ে রাশেদীনের অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন,

    مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ فَسَيَرَى اخْتِلاَفًا كَثِيْرًا فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِىْ وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِيْنَ الْمَهْدِيِّيْنَ عَضُّوْا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الأُمُوْرِ فَإِنَّ كُلَّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ-

    ‘তোমাদের মধ্যে থেকে যারা জীবিত থাকবে, তারা অচিরেই অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। অতএব (মতভেদের সময়) আমার সুন্নাত এবং আমার হেদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাতের অনুসরণ করা হবে তোমাদের অপরিহার্য কর্তব্য। এ সুন্নাতকে খুব মযবুতভাবে মাড়ির দাঁত দিয়ে অাঁকড়ে ধরে থাক। আর সমস্ত বিদ‘আত থেকে বিরত থাক। কেননা প্রত্যেকটি বিদ‘আতই গুমরাহী’। (আবূ দাউদ হা/৪৬০৭; তিরমিযী হা/২৬৭৬; ইবনু মাজাহ হা/৪২৪৪; আহমাদ হা/১৬৬৯৪; ইবনু খুযায়মা, ‘জুম‘আ’ অধ্যায় হা/১৭৮৫; মিশকাত হা/১৬৫; রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১৫৭।)
     
  3. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    এখানে লক্ষ্যণীয় যে, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যখন মতবিরোধ দেখা দিবে তখন তোমরা আমার সুন্নাতের অনুসরণ করবে। আর আমার ছাহাবীগণ আমাকে যেভাবে অনুসরণ করছে, যেভাবে আমল করছে, যে আক্বীদা পোষণ করছে, তোমরা সেভাবেই আমার অনুসরণ করবে। সাথে সাথে ইসলামের নামে নব আবিষ্কৃত বস্ত্ত থেকে দূরে থাকবে। আজকের দিনে এই মতবিরোধপূর্ণ সমাজে যদি আমরা রাসূল (ছাঃ)-এর অনুসারী হ’তে পারি এবং ছাহাবীগণ যেভাবে কুরআন ও হাদীছকে বুঝেছেন ও আমল করেছেন সেভাবে বুঝতে ও আমল করতে পারি, তাহ’লেই আমাদের মধ্যে ঐক্য সম্ভব।

    একটি বিষয় স্মর্তব্য যে, রাসূল (ছাঃ)-এর মৃত্যুর পূর্বেই ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং ইসলামের মধ্যে কম-বেশী করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। বিদায় হজ্জের দিন আল্লাহ নাযিল করলেন, الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِيْنَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِيْ وَرَضِيْتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِيْنًا ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসাবে মনোনীত করলাম’ (মায়েদা ৫/৩)।অন্যত্র আল্লাহ বলেন, وَمَنْ يََّبْتَغِ غَيْرَ الإِسْلاَمِ دِيْناً فَلَنْ يُّقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ ‘কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দ্বীন গ্রহণ করতে চাইলে তা কখনও গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ক্বিয়ামতের দিন সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে’ (আলে ইমরান ৩/৮৫)।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ইহুদী-নাছারাদের মত মুসলমান নামধারী একদল লোক কুরআনকে পরিবর্তন করতে না পারলেও কুরআনের অপব্যাখ্যা করছে। রাসূলের নামে অসংখ্য জাল হাদীছ তৈরী করেছে। কিন্তু আল্লাহর কিছু বান্দা তাদের চক্রান্তের মোকাবিলায় হাদীছ বাছাই করে আমাদের সামনে ছহীহ হাদীছগুলি তুলে ধরেছেন। আমাদের উচিত কুরআনের সঠিক ব্যাখ্যা ও ছহীহ হাদীছ গ্রহণ করা। তাহ’লে আমাদের মাঝে মতভেদ মতপার্থক্য থাকবে না। আল্লাহ কুরআনে সব সমস্যার সমাধান দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন,وَلاَ يَأْتُوْنَكَ بِمَثَلٍ إِلاَّ جِئْنَاكَ بِالْحَقِّ وَأَحْسَنَ تَفْسِيْرًا ‘তারা তোমার নিকট এমন কোন সমস্যা উপস্থিত করতে পারেনি, যার সমাধান ও সুন্দর ব্যাখ্যা আমি তোমাকে দান করিনি’ (ফুরক্বান ২৫-৩৩)। অন্য আয়াতে এসেছে,وَلَقَدْ ضَرَبْنَا لِلنَّاسِ فِي هَذَا الْقُرْآنِ مِن كُلِّ مَثَلٍ لَّعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ‘আমি এ কুরআনে মানুষের জন্য সব দৃষ্টান্তই বর্ণনা করেছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে’ (যুমার ৩৯/২৭)।
     
  4. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    রাসূল (ছাঃ) প্রদত্ত কুরআনের ব্যাখ্যা ও তাঁর বাস্তব জীবনই হ’ল ‘হাদীছ’ বা ‘সুন্নাহ’। এ কুরআন ও সুন্নাহকে অাঁকড়ে ধরার মাধ্যমেই রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীদের অনুসরণ করা হবে এবং মতবিরোধপূর্ণ সময়ে সঠিক পথ পাওয়া যাবে। বিদায় হজ্জের দীর্ঘ ভাষণের এক পর্যায় রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, وَقَدْ تَرَكْتُ فِيْكُمْ مَا لَنْ تَضِلُّوْا بَعْدَهُ إِنْ اعْتَصَمْتُمْ بِهِ كِتَابُ اللهِ ‘আমি তোমাদের নিকট যা রেখে যাচ্ছি তা মযবুতভাবে ধরে থাকলে, আমার পরে কখনও তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না; আর সেটা হ’ল আল্লাহর কিতাব’। (মুসলিম, বাংলা মিশকাত ‘মানাসিক‘ অধ্যায় ‘বিদায় হজ্জের ভাষণ’ অনুচ্ছেদ, হা/২৪৪০।) এখানে কিতাবুল্লাহ বলতে শুধু কুরআনকে ধরে রাখার কথা বলা হয়নি। হাদীছও মেনে চলতে হবে। কারণ কুরআনে রাসূলের অনুসরণ করার নির্দেশ আছে।

    আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা লা‘নত করেছেন ঐসব নারীর উপর, যারা অন্যের শরীরে নাম বা চিত্র অংকন করে এবং যারা নিজ শরীরে অন্যের দ্বারা অংকন করায়। যারা ললাট বা কপালের উপরস্থ চুল উপড়িয়ে কপাল প্রশস্ত করে এবং সৌন্দর্যের জন্য রেত ইত্যাদির সাহায্যে দাঁত সরু ও দু’দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে। এসব নারী আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি বিকৃত করে ফেলে। বনী আসাদ গ্রোত্রের উম্মে ইয়াকূব নামীয় এক মহিলা এই বর্ণনা শুনে ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি এ ব্যাপারে লা‘নত করেছেন। তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) যার উপর লা‘নত করেছেন, আল্লাহর কিতাবে যার প্রতি লা‘নত করা হয়েছে, তার উপর আমি লা‘নত করব না কেন? তখন মহিলাটি বলল, আমি তো কুরআন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছি, তাতে তো আপনি যা বলেছেন, তা পেলাম না। আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) বললেন, তুমি যদি পড়তে তবে অবশ্যই পেতে। তুমি কি পড়নি, ‘রাসূল তোমাদেরকে যা নির্দেশ দেন তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে বারণ করেন তা থেকে বিরত থাক। আর আল্লাহকে ভয় করে চলো’ (হাশর ৭)। মহিলাটি বলল, হ্যঁা, নিশ্চয়ই। ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) বললেন, ‘রাসূল (ছাঃ) এ বিষয়ে নিষেধ করেছেন’। (বুখারী, ‘কিতাবুত তাফসীর’, সূরা হাশর, হা/৪৫১৮।)
     
  5. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ইমাম শাফেঈ (রহঃ) একবার মক্কায় ঘোষণা করলেন, ‘আমি প্রত্যেক প্রশ্নের জবাব কুরআন থেকে দিতে পারি, জিজ্ঞেস কর, যা জিজ্ঞেস করতে চাও। জনৈক ব্যক্তি আরয করল, এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় প্রজাপতি মেরে ফেলল, এর বিধান কি? ইমাম শাফেঈ (রহঃ) সূরা হাশরের উক্ত (৭নং) আয়াতটি তেলাওয়াত করে হাদীছ থেকে এর বিধান বর্ণনা করে দিলেন’। (সুয়ুতী, আল-ইতক্বান ২/১২৬।)

    উপরের দু’টি ঘটনা থেকে পরিষ্কার হয় যে, কিতাবুল্লাহ বলতে কুরআন ও হাদীছ উভয়কে বুঝায়। বিষয়টি রাসূল (ছাঃ) অন্য হাদীছে ব্যাখ্যা করে বলেছেন, تَرَكْتُ فِيْكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوْا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا كِتَابَ اللهِ وَسُنَّةَ نَبِيِّهِ ‘আমি তোমাদের নিকট দু’টি বস্ত্ত ছেড়ে যাচ্ছি; যতদিন তোমরা ঐ দু’টি বস্ত্তকে মযবুতভাবে ধরে থাকবে, ততদিন পথভ্রষ্ট হবে না। সে দু’টি বস্ত্ত হ’ল আল্লাহর কিতাব ও তাঁর নবীর সুন্নাত’। (হাকেম ১/৯৩; মুওয়াত্ত্বা ‘কদর’ অধ্যায়; মিশকাত হা/১৮৩।)

    এ হাদীছে রাসূল (ছাঃ) গোমরাহী থেকে বাঁচার জন্য দু’টি বস্ত্তকে আঁকড়ে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে রাসূল (ছাঃ) তাকীদ দিয়ে বলেছেন যে, আমার উম্মত দু’টি জিনিস অাঁকড়ে ধরলে কখনো বিভ্রান্ত হবে না।

    ছাহাবীগণ ও সালাফে ছালেহীন সত্যের পথে থাকার জন্য ও মুক্তিপ্রাপ্ত দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সুন্নাতের একনিষ্ঠ অনুসরণ করেছেন এবং অন্যকে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন-
     
  6. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    (ক) আলী (রাঃ) ও আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেছেন, لا ينفع قول إلا بعملٍ، ولا عمل إلا بقولٍ، ولا قول ولا عمل إلا بنيةٍ، ولا نية إلا بموافقة السنة. ‘আমল ব্যতীত কোন কথা উপকারে আসবে না, কোন আমলও কথা ব্যতীত উপকারে আসবে না। কোন কথা ও আমল নিয়ত ব্যতীত উপকারে আসবে না, আর কোন নিয়তও উপকারে আসবে না সুন্নাতের আনুকূল্য ব্যতীত’। (আজুররী, কিতাবুশ শরী‘আত, পৃঃ ১২৩। গৃহীত : বায়হাক্বী আল-খুত্বাস সালীমাহ ফী বায়ানি উজুবি ইত্তিবাইস সুন্নাহ আল-ক্বারীমা, পৃঃ ৫।)

    (খ) উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেছেন, عليـكم بالسبـيل والسـنة. ‘তোমরা সঠিক পথ ও সুন্নাত অবধারিত করে নাও’। (শরহু উছুলিল ইতিকাদি আহলিস সুন্নাহ, ১/৫৬; আল-খুত্বাস সালীমাহ ফী বায়ানি উজুবি ইত্তিবাইস সুন্নাহ আল-ক্বারীমা, পৃঃ ৬।)

    (গ) প্রখ্যাত তাবেঈ যুহরী (রহঃ) বলেন, كان من مـضى من علمائنا بقول الاعةـصام بالسنة نجاة. ‘আমাদের আলেমদের মধ্য হ’তে যাঁরা অতীত হয়েছেন, তাঁরা বলতেন সুন্নাতকে ভালভাবে অাঁকড়ে ধরা মুক্তি (রক্ষাকবচ) স্বরূপ’। (সুনানুদ দারেমী, মুক্বাদ্দামাহ, আছার নং ৯৬, সনদ ছহীহ।)

    (ঘ) ইমাম মালেক (রহঃ) বলেছেন, السـنة سفـينة نوحٍ، من ركبـها نجا، ومن تخـلّف عنها غرق. ‘সুন্নাত হ’ল নূহ (আঃ)-এর নৌকা সদৃশ। যে তাতে আরোহণ করবে সে পরিত্রাণ পাবে, আর যে তা থেকে পিছে অবস্থান করবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে’। (আল-খুত্বাস সালীমাহ ফী বায়ানি উজুবি ইত্তিবাইস সুন্নাহ আল-ক্বারীমা, পৃঃ ৬।)

    উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, মুক্তিপ্রাপ্ত দল হওয়ার জন্য রাসূল (ছাঃ)-এর সুন্নাত ও তাঁর ছাহাবীদের সুন্নাতের উপর আমল করতে হবে। রাসূলকে বাদ দিয়ে বা তাঁর ছহীহ হাদীছের বিরোধিতা করে কোন ইমাম, পীর বা কোন দলের অন্ধ অনুসরণ করে মুক্তি পাওয়া যাবে না। রাসূল (ছাঃ)-এর সুন্নাত এবং ছাহাবীদের অনুসরণের মাধ্যমে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে।
     
  7. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    বর্তমান শতধাবিভক্ত সমাজে আমাদেরকে সঠিক দল খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আশ্রয় নিতে হবে। কুরআন ও হাদীছের আলোকে যারা হক্ব তাদেরকেই সঠিক জানতে হবে। অনেকে নিজেদেরকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত বলে থাকেন। অথচ তাদের কাজগুলি সুন্নাত বিরোধী। সুন্নাতবিরোধী আমল করে কিভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যায়?

    আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের পরিচয় দিতে গিয়ে আবু মুহাম্মদ আলী ইবনু হাযম আন্দালুসী (মৃত ৪৫৬ হিঃ) বলেন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত, যাদেরকে আমরা হক্বপন্থী ও তাদের বিরোধী পক্ষকে বাতিলপন্থী বলছি তাঁরা হ’লেন, ছাহাবায়ে কেরাম, তাঁদের অনুসারী শ্রেষ্ঠ তাবেঈগণ, আহলে হাদীছগণ, ফক্বীহদের মধ্যে যারা তাঁদের অনুসারী হয়েছেন যুগে যুগে আজকের দিন পর্যন্ত এবং প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের ঐ আম জনসাধারণ যারা তাঁদের অনুসারী হয়েছেন’। (মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল গালিব, আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন, ৫ম সংস্করণ, পৃঃ ১০।)

    রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আক্বীদা ও মাযহাব মুয়াসিরা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডঃ নাছের বিন আবদুল করীম আল-আকল প্রণীত ‘আহলে সুনণাত ওয়াল জামা‘আতের পরিচিতি’ নামক পুস্তকের তৃতীয় পরিচ্ছেদে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন এভাবে-

    এক. তাঁরা হচ্ছেন নবী করীম (ছাঃ)-এর ছাহাবীগণ। যাঁরা সুন্নাতকে জেনেছেন, তাকে সংরক্ষণ করেছেন এবং তার উপর আমল করেছেন। রিওয়ায়াত ও দিরায়াতের মাধ্যমে তা (সুন্নাত) আমাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছেন। কর্মনীতি ও কর্মসূচীর দিক হ’তে তাঁরাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের প্রকৃত দাবীদার ও হকদার। কেননা তাঁরাই যুগ, আমল এবং ইলমের দিক দিয়ে সুন্নাতের নিকটবর্তী।
     
  8. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    দুই. এরপর হচ্ছেন ছাহাবীদের অনুসারীগণ (তাবেঈগণ), যারা তাঁদের নিকট হ’তে দ্বীনকে গ্রহণ করেছেন, দ্বীনের শিক্ষা গ্রহণ করেছেন, সে অনুযায়ী আমল করেছেন এবং তা প্রচার করেছেন। তাঁরাই তাবেঈন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাবেঈদের অনুসারীগণ। তারাই হচ্ছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত। তারা একে অাঁকড়ে ধরেছেন। এতে বিদ‘আত বা নতুন কিছু চালু করেননি। আর মুমিনদের পথ ছাড়া অন্য কোন পথও অন্বেষণ করেননি।

    তিন. আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত হচ্ছেন সালাফে ছালেহীন আহলুল কিতাব (আহলুল কুরআন) ওয়াস সুন্নাহ। রাসূল (ছাঃ)-এর হিদায়াতের উপর আমলকারী, ছাহাবা, তাবেঈ এবং বরেণ্য ওলামায়ে কেরামের পদাংক অনুসরণকারী, যারা দ্বীনের মধ্যে বিদ‘আত চালু করেননি বা তাতে কোন পরিবর্তন সাধন করেননি। আর দ্বীনে ইতিপূর্বে ছিল না এ ধরনের নতুন কোন পথ বা মত সৃষ্টি করেননি।

    চার. আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত হচ্ছে ফিরক্বায়ে নাজিয়া বা মুক্তিপ্রাপ্ত দল। ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাঁরাই আল্লাহর মদদপুষ্ট ও সাহায্যপ্রাপ্ত দল হিসাবে টিকে থাকবে।

    পাঁচ. তারা হবে সংখ্যায় কম (অপরিচিত), যখন বিদ‘আত, কুসংস্কার বৃদ্ধি পাবে এবং যুগ খারাপ হবে তখনও তারা হক্বের উপরে থাকবে।

    ছয়. তারা হচ্ছেন আছহাবে হাদীছ বা আহলুল হাদীছ; রেওয়ায়াত, দিরায়াত, ইলম এবং আমলের দিক থেকে। (আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের পরিচিতি, পৃঃ ৮২-৮৩।)
     
  9. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    এছাড়াও ‘মুক্তিপাপ্ত দল কোন্টি’ এর পরিচয় দিতে গিয়ে মুহাদ্দিছগণ ‘আহলুল হাদীছ’দের নাম উল্লেখ করেছেন। যেমন-

    (ক) আবদুল্লাহ ইবনুল মোবারক বলেন, هم عندى أصحاب الحديث ‘আমার নিকটে তাঁরা হ’ল হাদীছের অনুসারী বা আহলুল হাদীছ’। (শায়খ মুহাম্মদ বিন জামিল, আল-ফিরকাতুন নাজিয়াহ, ‘মুক্তিপ্রাপ্ত দল কোনটি’ অনুচ্ছেদ।)

    (খ) ইমাম বুখারীর (রহঃ)-এর উস্তাদ আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, هم أهل الحديث ‘তাঁরা হচ্ছেন আহলুল হাদীছ’। (শায়খ মুহাম্মদ বিন জামিল, আল-ফিরকাতুন নাজিয়াহ, ‘মুক্তিপ্রাপ্ত দল কোনটি’ অনুচ্ছেদ।)

    (গ) ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহঃ) বলেন, ‘যদি তারা আহলুল হাদীছ না হয়, তাহ’লে আমি জানি না তারা কারা’। (তিরমিযী, ফাৎহুল বারী, ১৩/৩০৬ হা/৭৩১১-এর ব্যাখ্যা; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭০-এর ব্যাখ্যা।) উল্লেখ্য যে, মাযহাব চতুষ্টয়ের তিন ইমামই আহলে
    হাদীছ হিসাবে পরিচিত ছিলেন।
    (মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুর রহীম, ইসলামী শরীয়াতের উৎস (ঢাকা : আধুনিক প্রকাশনী, আগষ্ট ১৯৯৪), পৃঃ ৬৯-৭১।)


    (ঘ) ইয়াযীদ ইবনে হারূণ (১১৮-২১৭ হিঃ) ও ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (১৬৪-২৪১হিঃ) বলেন, إِنْ لَّمْ يَكُوْنُوْا أَصْحَابَ الْحَدِيْثِ فَلاَ أَدْرِىْ مَنْ هُمْ؟ ‘তাঁরা যদি আহলেহাদীছ না হন, তবে আমি জানি না তারা কারা’। (তিরমিযী, মিশকাত হা/৬২৮৩ -এর ব্যাখ্যা; ফাৎহুল বারী ১৩/৩০৬ হা/৭৩১১-এর ব্যাখ্যা; সিলসিলা ছাহীহাহ হা/২৭০-এর ব্যাখ্যা; শারফ, পৃঃ ১৫।) ইমাম বুখারীও এবিষয়ে দৃঢ়মত ব্যক্ত করেছেন’। ক্বাযী আয়ায বলেন, أَرَادَ أَحْمَدُ أَهْلَ السُّنَّةِ وَ مَنْ يَّعْتَقِدُ مَذْهَبَ أَهْلِ الْحَدِيْثِ ‘ইমাম আহমাদ (রহঃ) একথা দ্বারা আহলে সুন্নাত এবং যারা আহলুল হাদীছ-এর মাযহাব অনুসরণ করে, তাদেরকে বুঝিয়েছেন’। (ফাৎহুল বারী ‘ইলম’ অধ্যায় ১/১৯৮ হা/৭১-এর ব্যাখ্যা।) ইমাম আহমাদ আরও বলেন, لَيْسَ قَوْمٌ عِنْدِىْ خَيْراً مِّنْ أَهْلِ الْحَدِيْثِ، لاَ يَعْرِفُوْنَ إِلاَّ الْحَدِيْثَ ‘আহলেহাদীছের চেয়ে উত্তম কোন দল আমার কাছে নেই। তারা হাদীছ ছাড়া অন্য কিছু চেনে না’। (আবুবকর আল-খত্বীব বাগদাদী, শারফু আছহাবিল হাদীছ পৃঃ ২৭।)
     
  10. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,360
    Likes Received:
    4,003
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    (ঙ) ইমাম আবু হানীফা (রহঃ)-এর প্রধান শিষ্য ইমাম আবু ইউসুফ (১১৩-১৮২ হিঃ) একদা তাঁর দরবার সন্মুখে কতিপয় আহলেহাদীছকে দেখে উল্লসিত হয়ে বলেন, مَا عَلَى الْأَرْضِ خَيْرٌ مِّنْكُمْ ‘ভূপৃষ্ঠে আপনাদের চেয়ে উত্তম আর কেউ নেই’। (শারফ, পৃঃ ২৮; আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন? পৃঃ ১৩।)

    (চ) আহমাদ ইবনু সারীহ বলতেন, أَهْلُ الْحَدِيْثِ أَعْظَمُ دَرَجَةً مِنَ الْفُقَهَاءِ لِاِعْتِنَائِهِمْ بِضَبْطِ الْأُصُوْلِ ـ ‘দলীলের উপরে কায়েম থাকার কারণে আহলেহাদীছগণের মর্যাদা ফক্বীহগণের চেয়ে অনেক ঊর্ধ্বে। (আব্দুল ওয়াহ্হাব শা‘রানী, মীযানুল কুবরা (দিলী: ১২৮৬ হিঃ) ১/৬২ পৃঃ।)

    (ছ) ইমাম আবূদাঊদ (২০২-২৭৫ হিঃ) বলেন, لَوْلاَ هَذِهِ الْعِصَابَةُ لَانْدَرَسَ الْإِسْلاَمُ يِعْنِىْ أَصْحَابَ الْحَدِيْثِ- ‘আহলেহাদীছ জামা‘আত যদি দুনিয়ায় না থাকত, তাহ’লে ইসলাম দুনিয়া থেকে মিটে যেত’। (শারফ ২৯ পৃঃ; আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন? পৃঃ ১৩।)

    (জ) ওছমান ইবনু আবী শায়বা একদা কয়েকজন আহলেহাদীছকে হয়রান অবস্থায় দেখে মন্তব্য করেন যে, إنَّ فَاسِقَهُمْ خَيْرٌ مِنْ عَابِدِ غَيْرِهِمْ ‘আহলেহাদীছের একজন ফাসিক্ব ব্যক্তি অন্য দলের একজন আবিদের চেয়েও উত্তম’। (শারফ ২৭ পৃঃ; আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন? পৃঃ ১৩।)

    (ঝ) ইমাম আহমাদ ইবনু তায়মিয়াহ (৬৬১-৭২৮ হিঃ) বলেন,

    مِنَ الْمَعْلُوْمِ لِكُلِّ مَنْ لَهُ خِبْرَةٌ أَنَّ أَهْلَ الْحَدِيْثِ مِنْ أَعْظَمِ النَّاسِ بَحْثًا عَنْ أَقْوَالِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ وَ طَلَبًا لِّعِلْمِهَا وَ أَرْغَبِ النَّاسِ فِىْ اِتِّبَاعِهَا وَ أَبْعَدِ النَّاسِ عَنِ اتَّبَاعِ هَوًى يُخَالِفُهَا ... فَهُمْ فِىْ أَهْلِ الْإِسْلاَمِ كَأَهْلِ الْإِسْلاَمِ فِىْ أَهْلِ الْمِلَلِ ـ

    ‘যার কিছুটা অভিজ্ঞতা রয়েছে, তার এটা জানা কথা যে, আহলেহাদীছগণ হ’লেন, মুসলমানদের মধ্যে রাসূলুলাহ (ছাঃ)-এর বাণীসমূহের ও তাঁর ইল্মের অধিক সন্ধানী ও সে সবের অনুসরণের প্রতি অধিক আগ্রহশীল এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ হ’তে সর্বাধিক দূরে অবস্থানকারী, যার বিরোধীতা সে করে থাকে।... মুসলমানদের মধ্যে তাদের অবস্থান এমন মর্যাদাপূর্ণ, যেমন সকল জাতির মধ্যে মুসলমানদের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান’। (আহমাদ ইবনু তাইমিয়াহ, মিনহাজুস সুন্নাহ (বৈরুত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়াহ, তাবি) ২/১৭৯ পৃঃ।)
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)