1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic আদর্শ যুবকের কতিপয় বৈশিষ্ট্য

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Nov 23, 2018. Replies: 14 | Views: 71

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,554
    Likes Received:
    4,005
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেওয়া :

    আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আল্লাহর ইবাদত কর তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না। পিতা-মাতার সাথে সৎ ব্যবহার করো এবং নিকটাত্মীয়, ইয়াতীম, মিসকীনদের সাথে ভাল ব্যবহার কর। নিকট প্রতিবেশী ও দূর প্রতিবেশী এবং সৎকর্মীদের সাথে ভাল ব্যবহার কর। পথিক ও দাস-দাসীদের সাথে ভাল ব্যবহার কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ অহংকারী দাম্ভিককে পসন্দ করেন না’ (নিসা ৪/৩৬)।

    রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,

    وَاللهِ لاَ يُؤْمِنُ، وَاللهِ لاَ يُؤْمِنُ، وَاللهِ لاَ يُؤْمِنُ. قِيلَ وَمَنْ يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ الَّذِى لاَ يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَايِقَهُ

    ‘আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়। জিজ্ঞেস করা হ’ল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! কে সেই ব্যক্তি? তিনি বললেন, যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না’। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৬২।) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مَنْ لاَ يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ ‘সে ব্যক্তি কখনো জান্নাতে যাবে না, যার অন্যায়ের কারণে তার প্রতিবেশী নিরাপদে থাকে না’। (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৬৩।) আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহর নিকটে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ঐ ব্যক্তি, যার অনিষ্ট হ’তে বাঁচার জন্য মানুষ তাকে পরিহার করে’। (বুখারী হা/২৯০৫।)
     
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,554
    Likes Received:
    4,005
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ব্যাভিচার থেকে বেঁচে থাকা :

    আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَلاَ تَقْرَبُواْ الزِّنَى إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَّسَاءَ سَبِيْلاً ‘তোমরা যেনার নিকটবর্তীও হয়ো না। এটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট পথ’ (ইসরা ১৭/৩২)।

    আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘যেনাকার নারী-পুরুষ প্রত্যেককে একশ’ বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান পালনে তাদের উভয়ের প্রতি তোমাদের মনে অনুগ্রহ আনা উচিত নয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও ক্বিয়ামত দিবসের প্রতি বিশ্বাসী হও’ (নূর ২৪/২)।

    উবাদাহ ইবনু ছামেত (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা আমার নিকট হ’তে আল্লাহর বিধান গ্রহণ কর’ কথাটি রাসূল (ছাঃ) দুইবার বললেন, আল্লাহ তা‘আলা তাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন অবিবাহিত নারী-পুরুষকে একশ’ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য নির্বাসন করতে হবে। আর বিবাহিত নারী-পুরুষকে ‘রজম’ করতে হবে। (মুসলিম, মিশকাত হা/৩৫৫৮।) রাসূল (ছাঃ) আরো বলেন, ‘যেনাকার ও যেনাকারিণী ক্বিয়ামত পর্যন্ত উলঙ্গ অবস্থায় আগুনে জ্বলতে থাকবে’। (বুখারী, মিশকাত হা/৪৬২১।)

    আবু হুরায়রাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণীর লোকের সাথে আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদেরকে তিনি পবিত্রও করবেন না। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তারা হচ্ছে-
    (১) বৃদ্ধ যেনাকার
    (২) মিথ্যাবাদী শাসক
    (৩) অহংকারী দরিদ্র ব্যক্তি’।
    (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৯।)


    রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘মানুষের দু’চোখের যেনা দেখা। দু’কানের যেনা শুনা। জিহবার যেনা কথা বলা। হাতের যেনা স্পর্শ করা। পায়ের যেনা যেনার পথে চলা। অন্তরের যেনা হচ্ছে আকাঙ্ক্ষা করা। লজ্জাস্থান তার সত্য মিথ্যা প্রমাণ করে’। (মুসলিম, মিশকাত হা/৮৬।) ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, অবশ্যই কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে নির্জনে একত্রিত হ’লে তৃতীয়জন হবে শয়তান’। (তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩১৮।)
     
  3. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,554
    Likes Received:
    4,005
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    রেশমী বস্ত্র, স্বর্ণালংকার এবং নারীদের সাদৃশ্যপূর্ণ পোষাক পরিহার :

    রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, مَنْ لَبِسَ الْحَرِيْرَ فِى الدُّنْيَا فَلَنْ يَّلْبَسَهُ فِى الآخِرَةِ ‘যে ব্যক্তি দুনিয়াতে রেশমী বস্ত্র পরিধান করবে, সে পরকালে রেশমী বস্ত্র পরিধান করবে না’। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৩১৬।) আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই স্বর্ণালংকার এবং রেশমী বস্ত্র আমার উম্মতের পুরুষের জন্য হারাম এবং নারীর জন্য হালাল’। (ইবনে মাজাহ হা/২৯১২।)

    ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘সে সকল পুরুষদের উপর অভিসম্পাত যারা মহিলাদের বেশ ধারণ করে’। (বুখারী, মিশকাত হা/৪৪২৯।) আবু হুরায়রাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সেই পুরুষের উপর অভিশাপ করেছেন, যে মহিলাদের পোষাক পরিধান করে’। (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৪৬৯।)

    গিঁটের নিচে কাপড় পরিধান না করা :

    আবু হুরায়রাহ (রাঃ) আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরবে সে জাহান্নামী’। (বুখারী, মিশকাত হা/৪৩১৪।)

    রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, لاَ يَنْظُرُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ بَطَرًا ‘আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তির প্রতি করুণার দৃষ্টি দিবেন না, যে অহংকার বশতঃ কাপড় ঝুলিয়ে পরে’। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৩১১।)
     
  4. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,554
    Likes Received:
    4,005
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র পরিহার করা :

    আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

    وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَّشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَّيَتَّخِذَهَا هُزُواً أُوْلَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِيْنٌ

    ‘এক শ্রেণীর লোক আছে, যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে ভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে অন্ধভাবে গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র সংগ্রহ করে এবং তা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে, এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি’ (লোকমান ৩১/৬)।

    রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘অবশ্যই আমার পরে এমন কিছু লোক আসবে যারা যেনা, রেশম, নেশাদার দ্রব্য ও গান বাজনাকে হালাল মনে করবে’। (বুখারী ৮৩৭ পৃঃ।) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,

    إِنَّ اللهَ تَعَالَى حَرَّمَ الْخَمْرَ وَالْمَيْسِرَ وَالْكُوْبَةَ وَقَالَ كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ. قِيْلَ الْكُوبَةُ الطَّبْلُ.

    ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা মদ, জুয়া ও সব ধরনের বাদ্যযন্ত্র হারাম করেছেন’। (মিশকাত হা/৪৫০৩।)
     
  5. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,554
    Likes Received:
    4,005
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    নেশাদার দ্রব্য পরিহার :

    আল্লাহ তা‘আলা বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأَنصَابُ وَالأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ ‘হে মুমিনগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য নির্ধারক শরসমূহ শয়তানের কাজ। অতএব তোমরা এগুলি থেকে বেঁচে থাক। যাতে তোমরা কল্যাণ প্রাপ্ত হও’ (মায়েদাহ ৫/৯০)।

    ওছমান (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, اجْتَنِبُوا الْخَمْرَ فَإِنَّهَا أُمُّ الْخَبَائِثِ‘তোমরা নেশাদার দ্রব্য থেকে বেঁচে থাক। কেননা নেশাদার দ্রব্য হচ্ছে অশ্লীল কর্মের মূল’। (নাসাঈ হা/৫৬৮৪।)

    ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘সব নেশাদার দ্রব্য মদ, আর সব ধরনের মদ হারাম। যে ব্যক্তি সর্বদা নেশাদার দ্রব্য পান করে তওবা বিহীন অবস্থায় মারা যাবে, সে পরকালে সুস্বাদু পানীয় পান করতে পারে না’। (মুসলিম ২/১৬৭।) আবু দারদা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘নেশাদার দ্রব্য পানকারী জান্নাতে যাবে না’। (ইবনু মাজাহ হা/৩৩৭৬।)

    আনাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন আমার উম্মত নেশাদার দ্রব্য পান করবে, গায়িকাদের নিয়ে নাচ-গানে মত্ত হবে এবং বাদ্যযন্ত্র নিয়ে ব্যস্ত হবে, তখন অবশ্যই তিনটি ভয়াবহ বিপদ নেমে আসবে-
    (১) বিভিন্ন এলাকার ভূমি ধসে যাবে
    (২) উপর থেকে অথবা কোন জাতির পক্ষ থেকে যুলুম অত্যাচার চাপিয়ে দেওয়া হবে
    (৩) অনেকের পাপের দরুণ আকার-আকৃতি বিকৃত করা হবে।
    (সিলসিলা ছহীহা হা/১৬০৪।)


    ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘অবশ্যই আমার উম্মতের কিছু সম্প্রদায় রাত অতিবাহিত করবে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য-পানীয়তে ভোগ বিলাসী হয়ে এবং বিভিন্ন ধরনের বিনোদন, আমোদ-প্রমোদে। এমতাবস্থায় তাদের সকলে শূকর ও বানরের আকৃতিতে রূপান্তরিত হবে’। (সিলসিলা ছহীহা হা/২৬৯৯।)

    অতএব হে যুবক! তোমার প্রতিফোটা রক্ত আল্লাহর দেয়া পবিত্র আমানত, এসো তা ব্যয় করি আল্লাহর পথে। যৌবনের তাড়নায় যেন আমাদের মূল্যবান সময়টা শয়তানের পথে ব্যয় না করে আল্লাহর পথে ব্যয় করি। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন- আমীন!
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)