1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic ছাহাবায়ে কেরামের প্রতি আমাদের কর্তব্য

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Dec 26, 2018. Replies: 14 | Views: 70

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,323
    Likes Received:
    3,972
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    রাসূল (ছাঃ) বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছাহাবীগণ সম্পর্কে বলেন,وَمَا يُدْرِيْكَ؟ لَعَلَّ اللهَ أَنْ يَّكُوْنَ قَدْ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوْا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ- ‘হে ওমর! তুমি কিভাবে জানলে যে, হাত্বেব মুনাফিক্ব হয়ে গেছে? মনে রেখ, আল্লাহ বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছাহাবীগণ সম্পর্কে জানেন। সেজন্যই তিনি বলেছেন, তোমরা যা ইচছা তাই কর, আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি’। (ছহীহ বুখারী, হা/৩০০৭; ছহীহ মুসলিম, হা/২৪৯৪। হাদীছটি আলী (রাঃ) বর্ণনা করেন।) এগুলি পবিত্র কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত তাঁদের প্রশংসার কয়েকটি নমুনা মাত্র। ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর প্রশংসায় বর্ণিত আয়াত ও হাদীছ হিসাব করাই কষ্টকর। ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর গুণকীর্তন শুধুমাত্র পবিত্র কুরআনেই আসেনি; বরং তাঁদের সৃষ্টির আগেই তাওরাত ও ইঞ্জীলে তাঁদের প্রশংসার কথা বিঘোষিত হয়েছে। সূরা আল-ফাত্‌হের শেষ আয়াতে মহান আল্লাহ ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) সম্পর্কে বলেন,مُّحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ وَالَّذِيْنَ مَعَهُ أَشِدَّاءُ عَلَى الْكُفَّارِ رُحَمَاءُ بَيْنَهُمْ تَرَاهُمْ رُكَّعًا سُجَّدًا يَّبْتَغُوْنَ فَضْلاً مِّنَ اللهِ وَرِضْوَانًا سِيْمَاهُمْ فِيْ وُجُوْهِهِم مِّنْ أَثَرِ السُّجُوْدِ- ‘মুহাম্মাদ আল্লাহ্‌র রাসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল। আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকূ ও সিজদারত দেখবেন। তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সিজদার চিহ্ন’ (ফাতহ ২৯)। তাহ’লে দেখা গেল, স্বয়ং আল্লাহ ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর প্রশংসা করলেন। কিন্তু তাঁদের এই প্রশংসা বাণী কোথায় এবং কোন্‌ কিতাবে ঘোষিত হয়েছে? আল্লাহ বলেন,ذَٰلِكَ مَثَلُهُمْ فِي التَّوْرَاةِ وَمَثَلُهُمْ فِي الْإِنجِيْلِ كَزَرْعٍ أَخْرَجَ شَطْأَهُ فَآزَرَهُ فَاسْتَغْلَظَ فَاسْتَوىٰ عَلىٰ سُوْقِهِ يُعْجِبُ الزُّرَّاعَ لِيَغِيْظَ بِهِمُ الْكُفَّارَ وَعَدَ اللهُ الَّذِيْنَ آمَنُوْا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ مِنْهُم مَّغْفِرَةً وَّأَجْرًا عَظِيْمًا- ‘তাওরাতে তাঁদের উদাহরণ এরূপ। আর ইঞ্জীলে তাঁদের উদাহরণ হচ্ছে একটি শস্যবীজের মত, যা থেকে উদ্‌গত হয় অঙ্কুর, অতঃপর তা শক্ত ও মযবূত হয় এবং কান্ডের উপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়ায়; এটা চাষীদেরকে আনন্দে অভিভূত করে। কিন্তু আল্লাহ তাঁদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জ্বালা সৃষ্টি করেন। তাঁদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাঁদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন’ (ফাত্‌হ ২৯)। ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর প্রতি সুবাসিত এই প্রশংসা ও গুণকীর্তন উল্লিখিত হয়েছে তাওরাত ও ইঞ্জীলে।
     
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,323
    Likes Received:
    3,972
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    প্রিয় মুসলিম ভাই! উক্ত আয়াতে কারীমা আপনাকে স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছে যে, মহামহিম প্রতিপালক তাওরাত, ইঞ্জীল ও কুরআনে ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর প্রশংসা করেছেন এবং তাঁদেরকে ন্যায়পরায়ণ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি তাঁদের প্রশংসা করেছেন তাঁদের সৃষ্টির পূর্বে মূসা (আঃ)-এর উপর তাওরাত অবতীর্ণের সময় এবং ঈসা (আঃ)-এর উপর ইঞ্জীল অবতীর্ণের সময়। অতঃপর তাঁদের জীবদ্দশায় তিনি আবার তাঁদের প্রশংসা করলেন মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর উপর অবতীর্ণ মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে।

    মহান আল্লাহ কর্তৃক ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর প্রশংসা সম্বলিত সূরা আল-হাশরের আরো কিছু আয়াত আমরা বিশ্লেষণ করব। মহান আল্লাহ বলেন, لِلْفُقَرَاءِ الْمُهَاجِرِيْنَ الَّذِيْنَ أُخْرِجُوْا مِنْ دِيَارِهِمْ وَأَمْوَالِهِمْ يَبْتَغُوْنَ فَضْلاً مِّنَ اللهِ وَرِضْوَانًا وَيَنْصُرُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهُ أُوْلَٰئِكَ هُمُ الصَّادِقُوْنَ- ‘এই ধন-সম্পদ দেশত্যাগী নিঃস্বদের জন্য, যাঁরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি লাভের অন্বেষণে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাহায্যার্থে নিজেদের বাস্তুভিটা ও ধন-সম্পদ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে। বস্তুতঃ তাঁরাই সত্যবাদী’ (হাশর ৮)। এখানে আল্লাহ তাঁদেরকে সত্যবাদী হিসাবে বিশেষিত করলেন। তিনি বললেন, أُوْلَٰئِكَ هُمُ الصَّادِقُوْنَ ‘তাঁরাই হচ্ছেন সত্যবাদী’। অতঃপর মহান আল্লাহ আনছার ছাহাবীগণ সম্পর্কে বললেন, وَالَّذِيْنَ تَبَوَّءُوا الدَّارَ وَالْإِيْمَانَ مِنْ قَبْلِهِمْ يُحِبُّوْنَ مَنْ هَاجَرَ إِلَيْهِمْ وَلاَ يَجِدُوْنَ فِيْ صُدُوْرِهِمْ حَاجَةً مِّمَّا أُوْتُوْا وَيُؤْثِرُوْنَ عَلَىٰ أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ وَمَنْ يُّوْقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ- ‘যাঁরা মুহাজিরগণের আগমনের পূর্বে মদীনায় বসতি গড়ে তুলেছিলেন এবং ধর্মবিশ্বাস সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, তাঁরা মুহাজিরগণকে ভালবাসেন। আর মুহাজিরগণকে যা দেয়া হয়েছে, সে কারণে তাঁরা অন্তরে ঈর্ষা পোষণ করেন না; বরং নিজেরা অভাবগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা তাঁদেরকে নিজেদের উপর অগ্রাধিকার প্রদান করেন। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম’ (হাশর ৯)।
     
  3. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,323
    Likes Received:
    3,972
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    উক্ত আয়াতদ্বয়ে মুহাজির ও আনছার ছাহাবীগণের প্রশংসা করা হ’ল। আর একথা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, সকল ছাহাবী এই দুই প্রকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। মুহাজিরগণ হ’লেন মক্কার অধিবাসী ছাহাবীবর্গ, যারা তাঁদের ধন-সম্পদ এবং ভিটা-বাড়ী ত্যাগ করে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হিজরত করেন। আল্লাহ বলেন, يَبْتَغُوْنَ فَضْلاً مِّنَ اللهِ وَرِضْوَانًا وَيَنْصُرُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهُ- ‘তাঁরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সাহায্য করে’ (হাশর ৮)। তাঁরা জীবনের সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে শুধুমাত্র আল্লাহ এবং তদীয় রাসূল (ছাঃ)-কে সহযোগিতা করার জন্য মদীনায় আগমন করেন। তাই তো আল্লাহ তাঁদের সম্পর্কে বলেন, ‘তাঁরাই হচ্ছেন সত্যবাদী’। অর্থাৎ ঈমান, সাহচর্য, আনুগত্য এবং আল্লাহ্‌র দ্বীনের অনুসরণের ক্ষেত্রে তাঁরা সত্যবাদী। মহান আল্লাহ বলেন,مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ رِجَالٌ صَدَقُوْا مَا عَاهَدُوْا اللهَ عَلَيْهِ فَمِنْهُم مَّنْ قَضَى نَحْبَهُ وَمِنْهُم مَّنْ يَّنْتَظِرُ وَمَا بَدَّلُوْا تَبْدِيْلاً- ‘মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহ্‌র সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেনি’ (আহযাব ২৩)। তাঁরাই হ’লেন ছাহাবী, আল্লাহ যাঁদের এমন সুবাসিত প্রশংসা করলেন।

    তিনি মুহাজিরগণের যেমন প্রশংসা করলেন, তেমনি প্রশংসা করলেন আনছার ছাহাবীগণেরও। তিনি বললেন,وَالَّذِيْنَ تَبَوَّءُوا الدَّار- ‘যাঁরা মদীনায় বসতি গড়ে তুলেছিলেন’। এখানে الدَّارَ অর্থ মদীনা। সুতরাং আনছার ছাহাবীগণ মুহাজির ছাহাবীগণের আগমনের পূর্বেই মদীনাকে প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, মুহাজিরগণের খেদমতে আনছার ছাহাবীগণ কি এমন করেছিলেন? জবাবে বলব, আনছার ছাহাবীগণ নিজেদের সম্পদে মুহাজিরগণকে সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আনছার ছাহাবী মুহাজির ছাহাবীকে তাঁর বাড়ী ও সম্পদের অর্ধেক দিয়ে দিয়েছিলেন। নিজের উপরে অন্য মুসলিম ভাইকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এই মহৎ গুণের কারণে মহান আল্লাহ তাঁদের প্রশংসা করে বলেন,وَيُؤْثِرُوْنَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ- ‘তাঁরা নিজেরা অভাবগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও তাঁদেরকে (মুহাজিরগণ) নিজেদের উপর প্রাধান্য দেন’। আনছার এবং মুহাজিরগণ আল্লাহ্‌র দ্বীনের সাহায্যার্থে সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা করেছিলেন। তাই তো তাঁরা সবাই আল্লাহ্‌র দ্বীনের সাহায্যকারী। মহান আল্লাহ বলেন, وَمَا بَدَّلُوْا تَبْدِيْلاً ‘তাঁরা তাঁদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেননি’।
     
  4. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,323
    Likes Received:
    3,972
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর প্রতি মুসলমানদের কর্তব্য :

    এই যাঁদের অবদান, তাঁদের প্রতি তাঁদের উত্তরসূরীদের কি কর্তব্য হ’তে পারে?

    আমাদেরকে এর জবাব অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে অনুধাবন করতে হবে। মুহাজির এবং আনছার ছাহাবীগণের ক্ষেত্রে একজন মুমিনের ভূমিকা কি হবে, তা আল্লাহ স্পষ্টই বলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, وَالَّذِيْنَ جَاءُوْا مِنْ بَعْدِهِمْ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِيْنَ سَبَقُوْنَا بِالْإِيْمَانِ وَلاَ تَجْعَلْ فِيْ قُلُوْبِنَا غِلاًّ لِّلَّذِيْنَ آمَنُوْا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوْفٌ رَّحِيْمٌ- ‘আর এই সম্পদ তাদের জন্য, যারা তাদের পরে আগমন করেছে। তারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে এবং ঈমানে আমাদের অগ্রবর্তী ভ্রাতাগণকে ক্ষমা করুন। ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ আপনি রাখবেন না। হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয়ই আপনি অতিশয় দয়ালু, পরম করুণাময়’ (হাশর ১০)। ‘এখানে তাদের পরে যারা এসেছে’ বলতে আনছার ও মুহাজিরগণের পরে যারা এসেছে, তাদেরকে বুঝানো হয়েছে।

    ছাহাবীগণের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি মুমিনের যে ভূমিকা হওয়া উচিত, তা উক্ত আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

    এই দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নোক্ত দু’টি পয়েন্টে সংক্ষিপ্তাকারে উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রিয় পাঠক! পয়েন্ট দু’টির প্রতি ভালভাবে খেয়াল করবেন, আল্লাহ আপনাকে এতদুভয়ের মাধ্যমে উপকৃত করবেন।
     
  5. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,323
    Likes Received:
    3,972
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    প্রথমতঃ ছাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে আমাদের অন্তঃকরণকে নিষ্কলুষ রাখতে হবে। তাঁদের প্রতি হৃদয়ে কোন হিংসা-বিদ্বেষ বা ঘৃণা থাকবে না; থাকবে না কোন প্রকার শত্রুতা। বরং হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান পাবে শুধু ভালবাসা, অনুগ্রহ আর সহানুভূতি। এরশাদ হচ্ছে, ‘আপনি ঈমানদারগণের প্রতি আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রাখবেন না’। অর্থাৎ আমাদের পূর্বে যাঁরা ঈমানের সাথে গত হয়ে গেছেন, আপনি তাঁদের ব্যাপারে আমাদের হৃদয়সমূহকে নিষ্কলুষ করে দিন। তাঁরা আমাদের ভাই শুধু নয়; বরং তাঁরা আমাদের সর্বোত্তম ভাই। সেজন্য মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর এই সম্পদ তাদের জন্য, যারা তাদের পরে আগমন করেছে। তারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে এবং ঈমানে আমাদের অগ্রবর্তী ভ্রাতাগণকে ক্ষমা করুন’। অতএব তাঁরা আমাদের ভাই। তাঁদের আরেকটি মহৎ বৈশিষ্ট্য হ’ল, ‘তাঁরা ঈমানে আমাদের অগ্রবর্তী’। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ‘মুহাজির ও আনছারগণের মধ্যে অগ্রবর্তী ছাহাবীগণ’ (তাওবাহ ১০০)। এই বিশেষ মর্যাদায় আল্লাহ তাঁদেরকে মর্যাদাবান করেছেন।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 1)