1. Hi Guest Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Huge Collection E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Question শুনেছি হুজুরে পাক (সাঃ) বিড়াল পালতেন, সত্যি কি? ঘরে বিড়াল পালা জায়েজ কি?

Discussion in 'Ask About Islam' started by AurorA 13, Jul 13, 2013. Replies: 3 | Views: 7111

  1. AurorA 13
    Offline

    AurorA 13 Ex-Staff

    Joined:
    Aug 1, 2012
    Messages:
    698
    Likes Received:
    449
    Gender:
    Male
    Location:
    ঢাকায় থাকি
    Reputation:
    80
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [fbpop][/fbpop]
    আমি বিড়াল পালতাম। বিড়াল পালা আমার শখের ভিতর একটি। গুরুজনেরা বলতে শুনেছি হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) বিড়াল পালন করতেন। তিনি বিড়ালের পিঠে আদর করতেন বলে বিড়ালের পিঠ মাটিতে পড়ে না। কথাটা কি সত্য? ঘরে কুকুর পালন নিষেধ বলে শুনেছি। বিড়াল পালন নিয়ে ইসলামের বিধান কি?
     
    captcha likes this.
  2. AurorA 13
    Offline

    AurorA 13 Ex-Staff

    Joined:
    Aug 1, 2012
    Messages:
    698
    Likes Received:
    449
    Gender:
    Male
    Location:
    ঢাকায় থাকি
    Reputation:
    80
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আমার প্রশ্নের কি কোনো উত্তর নাই? :crying2:
     
  3. nobish
    Offline

    nobish Welknown Member Staff Member Moderator

    Joined:
    Apr 28, 2013
    Messages:
    6,663
    Likes Received:
    2,297
    Gender:
    Male
    Location:
    Jessore
    Reputation:
    641
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আমি খুজে পেলাম না। ব্যস্ততায় ভালমত খুজতেও পারিনি। জহির মামা নিশ্চয়ই ভালমন্দ কিছু একটা জানাবেন। আগেই তো বলা আছে সঠিক উত্তরটি বের করে আনতে কিছু সময় লাগবে। তাই মামা একটু ধৈর্য্য ধরেন, নিশ্চয় আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন।
     
  4. Md Shahriar
    Offline

    Md Shahriar Guest

    Reputation:
    0
    আদুরে প্রাণী বিড়াল। গৃহপালিত প্রাণী বলেও পরিচিত। বিচিত্র আকৃতি-প্রকৃতির বিড়াল রয়েছে পৃথিবীতে। মানুষের সঙ্গে গভীর সখ্যের কারণে বর্তমানে প্রায় সারা বিশ্বেই বিড়াল পাওয়া যায়। বিড়ালের কল্যাণকামিতাও কম নয়। আমাদের বাসাবাড়ির নানা পোকামাকড় ও ইঁদুরজাতীয় প্রাণী শিকার করে পরিবেশ রাখে দূষণমুক্ত। বাড়িতে অনিষ্টের পূর্ব সঙ্কেত দেয়। খুব মনিব ভক্ত হয়। ইসলাম ধর্মে বিড়াল নিয়ে রয়েছে চমকপ্রদ নানা ঘটনা।


    বিড়াল ইসলাম স্বীকৃত একটি আদুরে প্রাণী। প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে তেমনি একটি ঘটনার প্রমাণ মেলে। সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী ওই সাহাবি মহানবী (সা.) কে অত্যধিক ভালোবাসতেন, মহানবীও তাকে ভালোবাসতেন। অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনযাপনকারী মেধাবী সাহাবির 'আবু হুরায়রা' নামটি তার উপনাম। এ উপ-নামেই তিনি সমধিক পরিচিত। যদিও তার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ আগে ও পরে প্রকৃত নাম রয়েছে। একদিন আবু হুরায়রা (রা.) জামার আস্তিনের নিচে একটি বিড়াল নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর দরবারে হাজির হন। হঠাৎ বিড়ালটি সবার সামনে বেরিয়ে পড়ে। এ অবস্থা দেখে রাসুল (সা.) রসিকতা করে তাকে 'ইয়া আবা হুরায়রা' বা 'হে বিড়ালের পিতা' বলে সম্বোধন করলেন। এরপর থেকে তিনি আবু হুরায়রা নামেই পরিচিত।


    বিড়ালকে মানুষ বিভিন্ন নামে ডাকে। বিলি্ল, বিলাই, টম, ম্যাও ও ক্যাট এসব বিড়ালেরই অপর নাম। সবচেয়ে বেশি পালিত পোষ্যবিড়াল। একেকটি বিড়ালের রঙ একেক ধরনের। উচ্চতা ১০ থেকে ১২ ও লম্বায় ১৪ থেকে ১৮ ইঞ্চি হয় এটি। ছোট আকার সত্ত্বেও একটি বিড়ালের দেহে প্রায় ২৯০টি হাড় এবং ৫১৭টি মাংসপেশি আছে। বন্দিদশায় বিড়ালের ১২ বছর বাঁচার প্রমাণ আছে। বিড়ালের প্রাণ যেমন শক্ত, তেমনি তার শরীরের হাড়ও শক্ত। অনেক ওপর থেকে পড়লেও তা সাধারণত অক্ষত থাকে। বিড়ালের জিহ্বা বিভিন্ন অংশে বিভক্ত। একেক অংশ একেক ধরনের স্বাদ গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে বিড়াল মিষ্টিবস্তুর স্বাদ বুঝতে পারে না।


    বিড়াল বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে পছন্দ করে। দুধ ও মাছের কাঁটা বিড়ালের প্রিয় খাবার। এছাড়াও ছোট পাখি, হাঁস, মুরগির বাচ্চা ও ইঁদুর রয়েছে। মুরগির গোশত, মাছ সেদ্ধ ও হালকা ভাত বিড়ালের জন্য সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার। বন্য বিড়াল রাতে ঘোরাফেরা ও শিকার করে। ছোট প্রাণী, খরগোশ, হরিণ শাবক, ছাগল এমনকি গরুর বাচ্চাও শিকার করে খায়।


    বিড়ালের দৃষ্টিশক্তি মানুষের তুলনায় অনেক বেশি। তবে রাতের তুলনায় দিনে কম দেখে। এরা শিকারের জন্য নখ ব্যবহার করে থাকে। শিকার ধরার সময় আঙুল ব্যবহার করে। পায়ের প্যাডের চার পাশে ঘন লোম থাকায় বিড়াল সতর্কতার সঙ্গে পা ফেলে নিঃশব্দে শিকার ধরতে পারে। বীরের বেশে খপ করে শিকার ধরে। ঘড় ঘড় আওয়াজ তোলার ক্ষমতা ছোট বিড়ালের একক বৈশিষ্ট্য, বড় বিড়ালের এ ক্ষমতা না থাকলেও তারা স্বগর্জনে নিজের উপস্থিতি জানাতে পারে।


    পৃথিবীতে নানা প্রজাতির বিড়াল আছে। নিঃসঙ্গচারী, মাংসাশী ও শিকারি শ্রেণীর প্রায় ৩৪টি প্রজাতি রয়েছে। অস্ট্রেলীয়, মাদাগাস্কার ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপগুলোয় এসব অধিকাংশ বিড়ালের অস্তিত্ব মেলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাত ও ইউরোপে চার প্রজাতির বিড়াল আছে। বাংলাদেশে আছে আট প্রজাতির। তন্মধ্যে সোনালি, গেছো, লামচিতা, চিতা, বাঘ হুমকিগ্রস্ত। বনবিড়াল ও মেছোবিড়াল বিপন্ন। বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে বনবিড়াল পাওয়া যায়। গ্রামের ঝোপঝাড়, নলখাগড়া, চারণভূমিতে এরা বসবাস করে। বসতি সঙ্কোচন ও বেপরোয়া নিধনের ফলে এদেশে বিড়াল প্রায় বিপন্ন।


    কালো বিড়ালের আলোচনা মানুষের মুখে মুখে। অনেক সংস্কৃতিতে কালো বিড়ালকে সৌভাগ্য বা মন্দভাগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ বিড়াল পুরুষ ও মহিলা দুইটিই হতে পারে। কালো বিড়াল নিয়ে ভ্রান্ত বিশ্বাসের অভাব নেই। ব্রিটেনে কালো বিড়ালকে সৌভাগ্যের, স্কটিশ বিশ্বাসে উন্নতির প্রতীক। পশ্চিমা সংস্কৃতিতে কালো বিড়াল খারাপ লক্ষণ বা শয়তানের সঙ্গী হিসেবে বিবেচিত।


    অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের সঙ্গে বিড়ালের সাদৃশ্য রয়েছে। মানুষের মতোই বিড়ালের আবেগ আছে। এরা সুখ-দুঃখ, বেদনা, রাগ, উত্তেজনা ও কৌতুকপ্রবণতা অনুভব করতে পারে। এজন্য মানুষ বিড়াল পোষে। তারা পোষ্য বিড়ালের নানা যত্ন-আত্তি করে। গোসল করায়। উকুননাশক শ্যাম্পো দেয়। চিরুনি করে এমনকি আদর করে চুমু খায়। নেইলকাটার দিয়ে নখ কাটে এবং রঙ-বেরঙের নকশা করা জামা পরায়। অসুস্থ হলে চিকিৎসা করে। মরণঘাতী বেশ ক'টি রোগ থেকে বিড়ালকে বাঁচাতে ভ্যাকসিন দেয়া জরুরি। ভ্যাকসিন না দিলে বিড়ালের কিছু রোগ মানুষের মাঝেও ছড়াতে পারে। বিড়ালের কামড় খুবই মারাত্মক ও কঠিন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের রূপ নিতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।


    ঘুমকাতুরে এ প্রাণীটি দৈনিক ১৬ ঘণ্টা ঘুমায়। খেলাধুলা করে। ফিতা, দড়ি বা লম্বা কোনো তার নিয়ে খেলা এদের পছন্দের। বল গড়িয়ে নিয়ে খেলতেও ভালোবাসে বিড়াল। হারিয়ে গেলে তার নিজ থেকে চেনে বাড়িতে ফেরার সক্ষমতা আছে। বিড়াল টয়লেট ব্যবহার করতে পারে। লাফ দিয়ে বেশ উঁচুতে উঠতে পারে। বিড়াল ঘণ্টায় ৩০ মাইল গতিতে দৌড়াতে পারে। দ্রুতগতিতে চলা ও তার গলা দিয়ে নানা আওয়াজ বের করতে পারে। তবে মিউ মিউ শব্দ করে ওরা শুধু মানুষের সঙ্গ ও আদর পেতে চায়।


    মহানবী (সা.) বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করতেন। বিড়াল দেখলে খাবার, পানীয় এগিয়ে দিতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, 'রাসুল (সা.) এর পাশ দিয়ে কোনো বিড়াল হেঁটে গেলে তিনি তাকে পানির পাত্র এগিয়ে দিতেন এবং বিড়াল তা থেকে পান করত।' বিড়াল পীড়াদায়ক ও ক্ষতিকারক নয়। তাই কারণে-অকারণে বিড়ালকে কষ্ট দেয়া যাবে না, মারা যাবে না। এর পরিণতি শুভকর হয় না। অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, 'এক মহিলাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে একটি বিড়ালকে আটকে রেখে খাবার ও পানি না দেয়ার কারণে। যদি সে বিড়ালটি ছেড়ে দিত তাহলে পোকামাকড় খেয়ে হলেও বাঁচতে পারত।' (বোখারি)।


    বিড়ালের মাংস খাওয়া জায়েজ না হলেও অধিকাংশ আলেমের মতে, এর ঝুটা জায়েজ। ইবনে মাজাহ শরিফে এসেছে, 'বিড়াল অপবিত্র নয়। এটা তোমাদের আশপাশে বিচরণকারী অথবা বিচরণকারিণী।' তাই অযথা বিড়ালকে কষ্ট দেয়া ঠিক নয়। অপবিত্র ও অলক্ষ্মী ভেবে মেরে বাসাবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়াও অনুচিত।
     
    Last edited by a moderator: Jun 28, 2015

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)

Users found this page by searching for:

  1. ইসলামে বিড়াল পালন

    ,
  2. বিড়াল পালন

    ,
  3. বিড়াল পালন কি

    ,
  4. ইসলামে কুকুর পালন কি,
  5. কুকুর নিয়ে হাদিস,
  6. বিড়াল ও ইসলাম