1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Historical বড়বুদুর বৌদ্ধ মন্দির, ইন্দোনেশিয়া

Discussion in 'Cool Images 'n Wallpapers' started by passionboy, Jan 31, 2014. Replies: 280 | Views: 7643

  1. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    বড়বুদুর নবম শতকের একটি মহায়ন বৌদ্ধ মন্দির যা, ইন্দোনেশিয়া সেন্ট্রাল জাভার মাগেলাং এ অবস্থিত। এই স্থাপনাটি ছয়টি বর্গাকৃতির স্তর দ্বারা গঠিত যার চুড়া তিনটি গোলাকৃতির স্তর বিদ্যমান। এই বৌদ্ধ মন্দিরটি ২,৬৭২ টি পাথরের মূর্তির শ্রেণি এবং ৫০৪ টি বুদ্ধ মূর্তি দ্বারা সুশোভিত। এই প্রধান গম্বুজটি মন্দিরের শীর্ষ স্তরের মধ্যভাগে অবস্থিত এবং এর চারপাশে ছিদ্রযুক্ত স্তুপার মধ্যে ৭২ টি বুদ্ধ মূর্তি বিদ্যামান।
     
  2. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    এই স্থাপনাটি নবম শতকের সাইলেন্দ্রা’র শাসনামলে স্থাপিত হয়। এই স্থাপনায় তৎকালীন ভারতীয় স্থাপনা শিল্পের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এই মন্দিরটি ভারতীয় গুপ্ত শাসনামলে স্থাপিত বিভিন্ন বৌদ্ধ মন্দিরের পাশাপাশি হিন্দু মন্দিরেরও প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, বড়বুদুর মন্দিরটি নবম শতকে নির্মিত এবং পরবর্তীতে ১৪ শতকে হিন্দু সাম্রাজ্যের পতনের পর এই মন্দিরটি পরিত্যক্ত হয় এবং তখন জাভায় মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। বড়বুদুর অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন অংশ পুনঃনির্মানের মাধ্যমে সংরক্ষিত হতে থাকে। সর্ববৃহৎ পুনঃনির্মান কাজ সম্পন্ন হয় ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সালে, যা ইন্দোনিয়া সরকার ও ইউনেস্কো যৌথভাবে পরিচালনা করে। এর পরেই ইউনেস্কো এই স্থাপনাটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হিসেবে তালিকভূক্ত করে। বড়বুদুরে এখনো সন্ন্যাসীরা ব্যবহার করে। বছরে একবার এই মন্দিরের “ভেসাক” নামে একটি অনুষ্ঠান পালিত হয়। এই স্থাপনাটি ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র বহুল পরিদর্শনের স্থান।
     
  3. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    • অবস্থান
    ত্রি-মন্দির
    যোগাকার্তা থেকে ৪০ কিমি. উত্তর-পশ্চিম এবং সুরাকার্তা থেকে ৮৬ কিমি. পশ্চিমে এক বিশাল চড়াই এলাকায় বড়বুদুর অবস্থিত, যার দুইদিকে দুইটি জোড়া-আগ্নেয়গিরি এবং দুইদিকে দুই নদী বিদ্যমান। জোড় আগ্নেয়গিরিগুলো হল “সুনদোরো-সামবিং” এবং “মেরবাবু-মেরাপি এবং নদীগুলো হল “প্রগো” ও “এলো”।
     
  4. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    প্রাচীন হ্রদ
    বড়বুদুর পাহাড়ের উপরে বিশাল সমতল পাথরের অবস্থিত, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যার উচ্চতা ২৬৫ মিঃ (৮৬৯ ফুট) এবং এই এলাকার শুকিয়ে যাওয়া হ্রদ “পালো হ্রদ” থেকে উচ্চতা ১৫ মিঃ (৪৯ ফুট)। এই হ্রদ নিয়ে বিংশ শতাব্দীর বিভিন্ন প্রত্নতত্ত্ববিদদের মধ্যে মতবাদ লক্ষ্য করা যায়। ডাচ শিল্পী এবং হিন্দু ও বৌদ্ধ স্থাপনা বিশেষজ্ঞ W.O.J. Nieuwenkamp একটি তত্ত্ব প্রবর্তন করেন। তত্ত্বটি হল, “কেদু প্লেইন” এক সময় হ্রদ ছিল এবং বড়বুদুর প্রধানত প্রতিনিধিত্ব করত হ্রদে ভাসমান পদ্ম ফুল।
     
  5. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    • ইতিহাস
    নির্মান
    এই মন্দিরটি কে অথবা কি উদ্দেশ্য স্থাপিত হয়েছিল, সে বিষয়ে কোন লিখিত দলিল পাওয়া যায় না। কিন্তু এই মন্দিরের ভূগর্ভস্থে নির্মিত পাথরের মূর্তি ও ৮ম ও ৯ম শতকে নির্মিত রাজকীয় চত্বরে মূর্তির কারুকাজের ধরন অনুযায়ী এই মন্দিরের নির্মানকাল ধারনা করা যায়। এই অনুযায়ী বড়বুদুর ৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে নির্মিত হয় বলে ধারনা করা যায়। এই স্থাপনাটি ৭৬০ থেকে ৮৩০ খ্রিস্টাব্দ মধ্য জাভার সাইলেন্দ্রা সাম্রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। এই মন্দিরটি নির্মাণ করতে আনুমানিক ৭৫ বছর অতবাহিত হয় এবং এই মন্দিরটির নির্মানকাজ সম্পন্ন হয় ৮২৫ সালে সামারতুঙ্গার শাসনামলে। বুদ্ধ স্থাপনা, বড়বুদুরসহ, দেখতে অনেকটা হিন্দু শিব প্রমবন মন্দিরের মত। ৭৩২ খ্রিস্টাব্দে শিভাইত রাজা সঞ্জয় বড়বুদুর মন্দির কমপ্লেক্স থেকে মাত্র ১০ কিমি. পূর্বে ওকির পর্বতে শিবলিঙ্গ মন্দির স্থাপনের জন্য একটি কমিশন গ্রহন করেন।
     
  6. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    পরিত্যাগ
    বড়বুদুর কয়েক শতাব্দী ধরে ক্রমবর্ধমান বনজঙ্গল ও আগ্নেয়গিরির ছায়ের স্তরে ঢাকা পড়ে। এই স্থাপনাটি পরিত্যক্ত হওয়ার পেছনের কারণ রুহস্যময়। ৯২৮ থেকে ১০০৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যকার যে কোন সময়ে, আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরনের কারণে তৎকালীন রাজা এম্পু সিন্দক মেদাং রাজ্যের রাজধানী পূর্ব জাভায় স্থানান্তর করেন। কিন্তু এই কারণে যে মন্দিরকটি যে পরিত্যক্ত হয় তা সঠিকভাবে বলা যায় না, কিন্তু অনেক উৎসে মন্দিরটি পরিত্যাগের কারণ হিসেবে উক্ত ঘটনাটকে দায়ী করেন। সোয়েকামো (১৯৭৬) তিনি উল্লেখ করে যে, একটি প্রচলিত বিশ্বাস আছে যে, ১৫ শতকে জনসংখ্যার অধিকাংশ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার ফলে এই মন্দিরটি পরিত্যাগ করা হয়।
     
  7. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    পুনঃআবিষ্কার
    ১৮১১ থেকে ১৮১৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জাভা ব্রিটিশ প্রশাসনের অধীনে থাকে। ব্রিটিশ সরকারের নিয়োগোপ্রাপ্ত গভর্ণর লেফটেন্যান্ট গভর্ণর-জেনারেল থমাস স্ট্যামফোর্ড র্যা ফলস, যিনি জাভার ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জাভা’র ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত অনেক দুষ্প্রাপ্য জিনিস সংগ্রহ করেন এবং দ্বীপ তার পরিভ্রমণে তিনি স্থানীয় অনেক অধিবাসীর সাথে কথা বলে তা নোট করেন। ১৮১৪ সালের সেমারাং দ্বীপের এই পরিদর্শনে, তিনি বুমিসেগ্রো গ্রামের সন্নিকটে একটি বিশাল স্থাপনা সন্ধান পান, যা ঘন বনজঙ্গলে আবৃত। তিনি একা এই আবিষ্কারে সমর্থ ছিলেন না, তাই তিনি অনুসন্ধানের জন্য ডাচ প্রকৌশলী এইচ.সি.কর্নেলিয়াস’কে উক্ত স্থানে প্রেরণ করেন। দুই মাসের মধ্যে কর্নেলিয়াস এবং তার অধীনস্ত ২০০ জন লোক বন জঙ্গল কেটে, উদ্ভিদ আগুনে পুড়ে এবং মাটি খুড়ে এই স্থাপনাটি উদ্ধার করেন। ধ্বসে পড়ার সম্ভাবনা থাকায় তিনি স্থাপনার সব অংশ মাটি খুড়ে বের করতে পারেন নি। তিনি র্যানফলস’কে কারুকাজ সহ তার আবিষ্কারের প্রতিবেদন পেশ করেন। যদিও প্রতিবেদনটি কয়েক লাইনের, তবু র্যা ফলস এই স্থাপনাটি আবিষ্কারের সব কৃতিত্ব তাকে দেন, যা তাকে বিশ্ববাসীর নজরে আনে।
    এই স্থাপনাটির অনেক কারুশিল্প, উল্লেখযোগ্য হল সিংহ, কালা, মাকারা যা এখন ব্যাংককের জাতীয় যাদুঘরের জাভা শিল্পকলা কক্ষে প্রদর্শিত আছে।
     
  8. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    পুনরুদ্ধার
    ১৮৮৫ সালে জেরমান যখন যোগিয়াকর্তা’র প্রত্নতত্ত্ব সোসাইটির সভাপতি ছিলেন তখন বড়বুদুর তার দৃষ্টি আকর্ষন করে।
    ১৯০২ সালে ব্রান্ডেস-একজন শিল্প ইতিহাসবিদ; দ্যডোর ভ্যান এর্‌প-ডাচ সেনাবাহিনী প্রকৌশলী কর্মকর্তা এবং ভ্যান ডি কামের-নির্মান প্রকৌশলী এর পুনরুদ্ধার কাজ পরিচালনা করেন। এই পুনরুদ্ধার কাজে অংশ নেয় ৪৮,৮০০ ডাচ লোক। তারপর পুনরুদ্ধার কাজ ১৯০৭-১৯১১ সাল পর্যন্ত স্থগিত থাকে। এই পুনরুদ্ধার কাজে ভ্যান এর্‌প আরেকটি প্রস্তাবনা দেন এবং যা সংগৃহীত হয় অতিরিক্ত ৩৪,৬০০ লোকের ব্যয়সহ। এর ফলে প্রথম দর্শনে বড়বুদুর তার সোনালী খ্যাতি পুনরুদ্ধার করে। অর্থ সংকটের কারণে এই মন্দিরের পুনরুদ্ধার কাজে শুধুমাত্র এর পরিষ্কারকরণের কাজে গুরুত্ব দেয়া হয়।

    ১৯৬০ সালের শেষভাগে এই স্থাপনাটি বিশাল আকারে পুননির্মানের জন্য ইন্দোনেশিয়ার সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানায়।

    ১৯৭৩ সালে বড়বুদুর পুনরুদ্ধারের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা গৃহীত হয়। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া সরকার ও ইউনেস্কো বিশাল পুনরুদ্ধারের কাজ পরিচালনা করে। এউ স্থাপনাটি পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয় এবং এর ১৪৬০ প্যানেলের সবগুলোই পরিষ্কার করা হয়। এই কাজে অংশ নেয় ৬০০ মানুষ এবং এই কাজে মোট ব্যয় হয় $৬৯,০১,২৪৩। পুননির্মান শেষ হলে ১৯৯১ সালে ইউনেস্কো বড়বুদুর’কে বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হিসেবে তালিকাভূক্ত করে।
     
  9. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    • স্থাপত্যশৈলী
    ডিজাইন
    বড়বুদুর বৃহৎ একক বৌদ্ধস্তূপ হিসেবে স্থাপিত হয়। এই মন্দিরটির ভিত্তি বর্গাকৃতির, যার প্রত্যেকদিকের দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৮ মিঃ। এটির নয়টি প্লাটফর্ম বা স্তর আছে। যার নিচের তিনটি বর্গাকৃতির এবং উপরের তিনটি গোলাকৃতির। উপরের স্তরটি বাহাত্তরটি ছোট বৌদ্ধস্তূপ দ্বারা বেষ্টিত একটি বৃহৎ বৌদ্ধস্তূপ যা উপরের স্তরকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছে। প্রত্যেকটি বৌদ্ধস্তূপ ঘন্টাকৃতির এবং কারুকার্যমন্ডিত।
    আশেপাশের বিভিন্ন উৎস থেকে প্রায় ৫৫,০০০ ঘনমিঃ পাথর সংগ্রহ করা হয়, এই মন্দিরটি তৈরী করতে। এই পাথরগুলো হাতুরী ছাড়াই মাপ অনুযায়ী কাটা হয়। শক্ত গাট, পাথরের খাজ নিখুতভাবে মিলেভাবে মিল করে এইসব পাথর পরস্পর জোড়া লাগান হয়। এই পাথরের ভিত্তি তৈরী পর এখানকার মূর্তিগুলো তৈরী হয়।
    এই স্থাপনাটির চারপাশে সুসংবদ্ধভাবে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বিদ্যমান, যা উচ্চভূমির ঝড়ে সৃষ্ট পানি নিষ্কাশন করে। প্রত্যেক কোনার ১০০ টি করে খাজকাটা নলমুখ স্থাপিত আছে, যা বন্যার পানি নিষ্কাশন করে।
     
  10. passionboy
    Offline

    passionboy কাজীর হাট বর্ষসেরা স্টাফ Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 20, 2012
    Messages:
    56,871
    Likes Received:
    10,357
    Gender:
    Male
    Location:
    সিটি গেইট, চট্টগ্রাম
    Reputation:
    704
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    প্রধান স্থাপনার গঠন
    প্রধান স্থাপনাটি তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়ঃ ভিত্তি, প্রধান ভবন ও চূড়া। ৪মিঃ (১৩ফুট) দেয়ালসহ ভিত্তিটির ক্ষেত্রফল ১২৩X১২৩ মিঃ (৪০৩.৫X৪০৩.৫ ফুট)। এর স্থাপনার প্রধান ভবনটি পাচটি বর্গাকৃতির স্তরের সমন্বয়ে গঠিত, যা উচ্চতা আস্তে আস্তে উপরের দিকে কমে গেছে। ভিত্তির কোনা থেকে প্রথম স্তরটি ৭ মিঃ (২৩ ফুট)। প্রত্যেক স্তরে বিদ্যমান সরু করিডর ব্যতিত প্রধান ভবনের প্রত্যেকটির স্তরের উচ্চতা ২মিঃ (৬.৬ ফুট) করে হ্রাস পেয়েছে।
    তিনটি গোলাকৃতির স্তর দ্বারা মন্দিরটির চূড়া গঠিত। যার প্রত্যেকটি স্তরে ছিদ্রযুক্ত স্তপের সারি বিদ্যমান, যা বৃত্তাকারভাবে অবস্থিত। মন্দিরের সর্বোচ্চ উচ্চতায় কেন্দ্রে একটি প্রধান গম্বুজ বিদ্যমান, যার উচ্চতা ভিত্তি থেকে ৩৫ মিঃ (১১৫ ফুট)। মধ্যভাগে অবস্থিতি সিড়ির মাধ্যমে এই মন্দিরের চারপাশ থেকে চূড়ায় পৌছান যায়, যাতে ৩২ সিংহ মূর্তিসহ অনেকগুলো তৌরণ বিদ্যমান।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)