1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Bengali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার :

    যে কোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সন প্রয়োজন হলে Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic নতুন রূপে বিসমিল্লাহ্‌র অপূর্ব জটিল উনিশ(১৯) মিরাকেল-১

Discussion in 'Role Of Islam' started by alobilikori, Apr 22, 2014. Replies: 5 | Views: 958

  1. alobilikori
    Offline

    alobilikori Newbie Member

    Joined:
    Sep 2, 2013
    Messages:
    13
    Likes Received:
    3
    Gender:
    Male
    Reputation:
    40
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    بسم الله الرحمن الرحيم
    সর্বাবস্থায় সকল প্রশংসা আল্লাহর।আমাকে সুখে রাখলেও প্রশংসা আল্লাহর, আমাকে দুঃখে রাখলেও প্রশংসা আল্লাহর । আর অসংখ্য দরূদ নাযিল হোক তাঁর নবীর উপর বারবার। উম্মতের কল্যাণ চিন্তায় যিনি ছিলেন বেকারার।

    আমরা এই পোষ্টে বিসমিল্লাহ্‌র মধ্যে ১৯ এর মিরাকেল নিয়ে আলোচনা করবো। রাশাদ খলীফার গোঁজামিলের সাথে আমার পোষ্টের কোন সম্পর্ক নেই। কেননা আমি যা বলেছি তা যাচাই করে বলেছি, এবং নিজস্ব স্টাইলে পরিমার্জন ,পরিবর্ধন ও বিয়োজন করে বলেছি। এই পোষ্টের মিরাকেল বুঝতে হলে আগে দু'টো বিষয় সম্পর্কে জানা থাকতে হবে। একটা হলো আরবী অক্ষরগুলোর গাণিতিক মান সম্পর্কে আর আরেকটা হলো ফিবোনাচিং নিয়ম সম্পর্কে।

    আরবী ভাষার বর্ণগুলোর প্রতিটির একটা গাণিতিক মান আছে। অবশ্য এরকম আরো কিছু ভাষা আছে যেগুলোর বর্ণসমূহের নির্দিষ্ট গাণিতিক মান আছে। আরবী ভাষার কোন বর্ণের কি মান সেটা জানতে হলে নীচের চিত্রটি দেখুন। প্রত্যকে বর্ণের গাণিতিক মান সেই বরাবর নীচে তীর চিহ্নিত চার নম্বর ঘরে দেয়া আছে।
    [​IMG]
    এবার আমরা দেখবো বিসমিল্লাহ্‌র অক্ষরগুলোর গাণিতিক মান কত এবং সেই হিসাবে পুরো বিসমিল্লাহ্‌র গাণিতিক মান কত।পুরো বিসমিল্লাহ্‌র গাণিতিক মান দাঁড়ালো ৭৮৬।
    [​IMG]

    ফিবোনাচিং নিয়মঃ এই নামটা আমার নিজের দেয়া। যেহেতু ফিবোনাচ্চি রাশিমালার সাথে এর বেশ কিছুটা মিল আছে। ধরেন কিছু সংখ্যা ০ ১ ২ ৩ ৪ এবার প্রত্যেক সংখ্যার জায়গায় বসানো হবে, সেই সংখ্যার সাথে আগের সংখ্যাগুলোর যোগফলকে যোগ করে প্রাপ্ত সংখ্যাকে, প্রত্যেক সংখ্যার জায়গায় বসানো হবে। এটাই ফিবোনাচিং নিয়ম। এই নিয়মানুসারে আগের সংখ্যাগুলোকে অর্থাৎ ০ ১ ২ ৩ ৪ কে এভাবে লেখতে হবে ০ ১ ৩ ৬ ১০ ঠিক তেমনি দেখুন ০ ৩ ৪ ৫ ৬ -- ০ ৩ ৭ ১২ ১৮ আরো দেখুন ০ ৫ ৮ ৯ ১২ -- ০ ৫ ১৩ ২২ ৩৪
    এই দু'টি বিষয় জেনে এখন আমরা বিসমিল্লাহ্‌র মধ্যে ১৯ এর মিরাকেল সম্পর্কে আলোচনা শুরু করি।


    (১) বিসমিল্লাহ্‌র মধ্যে ১৯ টি অক্ষর আছে।
    [​IMG]
    (২) বিসমিল্লাহ কোরআনে আছে মোট ১১৪ বার। আর ১১৪ ÷ ১৯= ৬

    (৩) বিসমিল্লাহ্‌র মধ্যে ৪টি শব্দ আছে। ১ম শব্দে আছে তিনটি বর্ণ, ২য় শব্দে আছে ৪টি বর্ণ, ৩য় শব্দে আছে ৬টি বর্ণ এবং ৪র্থ শব্দেও আছে ৬টি বর্ণ। এবার আমরা প্রতিটি শব্দের সিরিয়াল নাম্বার বসিয়ে , সিরিয়াল নাম্বারের পরে ঐ শব্দের মোট বর্ণ সংখ্যা বসাবো। এরপর যে সংখ্যাটি তৈরী হবে সেটা ১৯ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হবে। লালকালির অক্ষরগুলো হলো সিরিয়াল নাম্বার আর নীল কালির অক্ষরগুলো হলো শব্দগুলোর মোট বর্ণ সংখ্যা।

    13243646 = 19 × 366866

    (৪) এবার প্রতি শব্দের সিরিয়াল নাম্বারের পরে ঐ শব্দের গাণিতিক মান বসাবো। এরপর যে সংখ্যাটি তৈরি হবে সেটা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।শব্দের সিরিয়াল নাম্বার লাল কালিতে দেয়া আছে।

    110226633294289 = 19X5801401752331

    (৫) এবার প্রতি শব্দের সিরিয়াল নাম্বারের পরে ঐ শব্দের অক্ষরগুলোর গাণিতিকমান আলাদা আলাদা বসাবো। এরপর যে সংখ্যাটি তৈরি হবে সেটা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।শব্দের সিরিয়াল নাম্বার লাল কালিতে দেয়া আছে।

    12 60 40 2 1 30 30 5 3 1 30 200 8 40 50 4 1 30 200 8 10 40= 19 X 66336954126595422109686863843162160.

    (৬) এবার আমরা উপরের ৩,৪,৫ এই তিনটি নম্বরের মধ্যেই বাম দিকের সংখ্যার মধ্যে পর্যায়ক্রমে আমাদের ফিবোনাচিং নিয়ম প্রয়োগ করবো।তবে সেটা লাল রঙের সিরিয়াল নাম্বারের মধ্যে নয় বরং মাঝখানের নীল সংখ্যাগুলোর মাঝে। তাহলে প্রথমে ৩ নম্বরের মধ্যে প্রয়োগ করে যেই সংখ্যাটি পাওয়া যাবে সেটা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।

    1327313419 = 19X 69858601

    এখানে(0 + 3 = 3), (3 + 4 = 7), (3 + 4 + 6 = 13), (3 + 4 + 6 + 6 = 19)

    (৭)এবার চতুর্থ নাম্বারের মধ্যে ফিবোনাচিং নিয়ম প্রয়োগ করবো । যেই সংখ্যাটি পাওয়া যাবে সেটা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।

    1102216834974786 = 19X 58011412367094

    এখানে (168= 102 + 66) (497=102 + 66 + 329), (786=102 + 66 + 329 + 289)
    (৮)এবার ৫ম নাম্বারের মধ্যে এই নিয়ম প্রয়োগ করবো। যেই সংখ্যাটি পাওয়া যাবে সেটা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য।


    1262102210313316316831691993994074474974498528728736746786 = 19 X 66426432121753490359562736526003919735499922564670355094

    এবার আমরা এই গাণিতিক হিসাব নিকাশ দ্বারা কি প্রমাণ করতে চাইলাম এবং কি ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে প্রমাণ করতে চাইলাম সেটা বলছি। কোন নাস্তিক যদি এই গাণিতিক মিরাকেলের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চান, তাহলে আমাদের দাবীর ভিত্তি দলীলের আলোকে খন্ডন করুন। তা না করে অযথাই এদিক সেদিক বিভিন্ন খাপছাড়া কথা দয়া করে বলবেন না। ভালো করে খেয়াল করুন, প্রথম কথা হলোঃ উপরের ৩-৮ পর্যন্ত গাণিতিক সৌন্দর্যগুলো একটা নির্দিষ্ট ও যুক্তিসংগত নিয়মের অধীনে সংঘটিত হয়েছে (এটা আমাদের ১ম সিদ্ধান্তের ভিত্তি, যা চাক্ষুষ)।-এই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত হলো , এটা একেবারে সাধারণ কমনসেন্স দিয়ে বুঝা যায় যে, এরকম জটিল গাণিতিক শৃঙ্খলা কখনো এমনি এমনি ঘটতে পারেনা। নিশ্চয়ই কাউকে হিসাব নিকাশ করে তৈরী করতে হবে। আবার হিসাব করে গাণিতিক মিল রেখে, যেই কথাটা বলা হবে, সেটার একটা গ্রহণযোগ্য অর্থও থাকতে হবে।কম্পিউটার দিয়ে হাজার লক্ষ বাক্য খুঁজেও এমন আরেকটি বাক্য পাওয়া যায়নি। ২য় কথা হলোঃ এখন তাহলে প্রশ্ন যে, কে তৈরী করলো এই অতি জটিল ও বিরাট গাণিতিক কারুকার্যময় বাক্য। নিঃসন্দেহে গণিতের স্রষ্টা মহাজ্ঞানী আল্লাহ পাক(এটা হলো আমাদের ২য় সিদ্ধান্ত, ভিত্তি বা দলীল বলছি সামনে) কেননা ঐ যামানার কোন মানুষের পক্ষে ক্যালকুলেটর ছাড়া এত বড় ও এত জটিল গাণিতিক হিসাব করা সম্ভবই ছিলোনা। আর আমরা আগেই এই পোষ্টে দেখিয়েছি যে, যদি আমরা তর্কের খাতিরে ধরেও নেই যে, সম্ভব ছিলো, তথাপিও আমরা দেখিয়েছি যে, সম্ভব থাকলেও বাস্তবে আসলে তারা এগুলো করেনি। সুতরাং এমনি এমনি হওয়াও সম্ভব না আবার কোন মানুষও করেনি, তাহলে কে করলো? একটাই জবাব বাকী থাকে যে, মহাজ্ঞানী আল্লাহই এমন করেছেন।

    বর্তমানে যারা কম্পিউটার দিয়ে হিসাব নিকাশ করে এসব গাণিতিক সৌন্দর্য বের করেছে, তারা বিসমিল্লাহর মধ্যে উপরের মত এমন আরো বেশ কিছু বিরাট বিরাট গাণিতিক ফরমুলা বের করেছেন। কিন্তু আমি সেগুলো সব বাদ দিয়েছি। কেননা, আমার মতে এখনো সেগুলো পরিপূর্ণভাবে আবিষ্কার হয়ে সারেনি। ফলে এখনো সেগুলো উপরেরগুলোর মত নির্দিষ্ট কোন ছকের বা নিয়মের অধীনে পড়েনা। সেগুলো একটি নির্দিষ্ট চেইনে আবদ্ধ হয়না, খাপছাড়া হয়। ফলে একই সুতায় আবদ্ধ না হওয়াতে সেগুলো দিয়ে মালা গাঁথা যায়নি। তবুও সেগুলো থেকে কিছু উল্লেখ করছি। কেননা আমার চিন্তায় ভুল থাকতে পারে। কোন বিদগ্ধ পাঠক সেগুলোর মাঝে কোন সৌন্দর্য খুঁজে পেতেও পারেন। এবং হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে যখন পরিপূর্ণভাবে সব আবিষ্কার হবে তখন এগুলোও সব একটা নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে এসে, গাণিতিক মিরাকেলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

    (৯) এবার ৩নং ও ৪ নং এই দুইটির দিকে খেয়াল করুন। ৩নং এ সিরিয়াল নং ১ এর পর আছে ৩; আর ৪নং এ সিরিয়াল ১ এর পরে আছে ১০২ ,এখানে আমরা এই ৩ আর ১০২ কে যোগ করে যোগফল ১০৫কে সিরিয়াল নং ১ এর পরে বসাবো। এভাবে সিরিয়াল নং ২,৩,৪ এর পরেও একই কাজ করবো। অর্থাৎ প্রতি শব্দের মোট অক্ষর সংখ্যা এবং সেই অক্ষরগুলোর মোট গাণিতিক মান যোগ করে যোগফল প্রতি শব্দের সিরিয়াল নাম্বারের পরে বসাবো। দেখা যাবে এভাবে প্রাপ্ত সংখ্যাটি ১৯ দিয়ে বিভাজ্য হবে।

    110527033354295 = 19 X 5817212281805

    এখানে (105= 3+102), (70 = 4+66), (335= 6+329), (295= 6+289)

    এই ৯ নাম্বারকে আমি মিরাকেল থেকে এজন্যই বাদ দিয়েছি যে, এটা আগেরগুলোর সাথে সম্পর্কহীন। এরকম খাপছাড়া, সম্পর্কহীন গাণিতিক মিল অন্যান্য বাক্যের মধ্যেও পাওয়া যায় কিছু কিছু। তবে আমার ভুলও হতে পারে। যেকোন জ্ঞানী পাঠক আমার ভুল শুধরে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো।

    (১০) বিসমিল্লাহর ১৯টি অক্ষরের প্রতিটির গাণিতিক মানকে সেটির পূর্বে বসালে আমরা ৬২ ডিজিটের একটি বিরাট সংখ্যা পাবো, যেটি ১৯ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হবে। নীচের সংখ্যায় লাল কালিতে লেখা হয়েছে অক্ষরগুলোর সিরিয়াল নম্বর, আর নীল কালিতে লেখা হয়েছে অক্ষরগুলোর গাণিতিক মান।

    21602403 1430530657 183092001081140125013 11430152001681710184019= 19 X 1136968586476477143068905268848105921121654218526404300536001

    (১১) উপরের সংখ্যাটি খেয়াল করে দেখুন। বিসমিল্লাহর চারটি শব্দের জন্য চারটি আলাদা অংশ আছে।প্রতি অংশের নীচে আলাদা দাগ দেয়া আছে। এবার আমরা প্রতিটি অংশের পরে সেগুলোর সিরিয়াল নাম্বার বসাবো। ফলে ৬৬ ডিজিটের একটি সংখ্যা তৈরী হবে, যেটা ১৯ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য। সিরিয়াল নাম্বারগুলো লালকালিতে বসানো হয়েছে।


    216024031 14305306572 1830920010811401250133 114301520016817101840194=19 X 11369685849634371880096364211095336907901742857974737727215886326

    (১২) এবার আমরা ১০নাম্বারের সংখ্যাটির, চারটি অংশের পর্‌ প্রতি শব্দের মোট গাণিতিক মানকে বসাবো লাল কালিতে । ফলে ৭৩ ডিজিটের একটি সংখ্যা তৈরী হবে, যেটা ১৯ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হবে।

    2160240310214305306576618309200108114012501332911430152001681710184019289 = 19 X 113696858432331858240874647852637269158552701732180534315877984746527331

    (১৩) এবার আমরা ১০নাম্বারের সংখ্যাটির, চারটি অংশের আগে, প্রতি শব্দের মোট গাণিতিক মানকে বসাবো লাল কালিতে । ফলে আবার ৭৩ ডিজিটের একটি সংখ্যা তৈরী হবে, যেটা ১৯ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য হবে।

    1022160240366143053065732918309200108114012501328911430152001681710184019= 19 X 53797907387691739635038574647852637269158552701521654218526404300536001

    খেয়াল করুন, ১২ ও ১৩ নাম্বারে ১০২কে আগে বা পরে যেভাবেই লিখেন প্রাপ্ত সংখ্যা ১৯ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য।কিন্তু ১১ নাম্বারে লাল কালিতে লেখা সিরিয়াল নাম্বারগুলো আগে লিখলে প্রাপ্ত সংখ্যা ১৯ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হয়না, তবে পরে লিখলে বিভাজ্য হয়। এজন্যই বলেছি ১০-১৩ পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোন নিয়মের বেষ্টনে এখনো পড়েনি। আরো কিছু আবিষ্কার হওয়া বাকী আছে। ততদিন পর্যন্ত এগুলোকে মিরাকেল না বলে অপেক্ষা করতে হবে।


    বিসমিল্লাহর এই গাণিতিক মিরাকেল দেখে কিন্তু নাস্তিকরা বা ইহুদী খৃস্টানরা বসে রইলো না। তারা এটাকে খন্ডন করার জন্য আদাজল খেয়ে নামলো। তারা এই গাণিতিক মিরাকেলকে হঠাত ঘটনাচক্র প্রমাণ করার জন্য, অন্যান্য হাজার হাজার বাক্যের মধ্যে এরকম গাণিতিক সৌন্দর্য খুঁজতে লাগলো। এবং কিছু পেয়েও গেলো। কিন্তু সেগুলো বিসমিল্লাহর তুলনায় কিছুই নয়। তারা বিভিন্ন বাক্যের মধ্যে যেসব গাণিতিক সৌন্দর্য বের করলো , সেগুলো কোন যুক্তিসংগত নিয়মের মধ্যে পড়েনা। সব এদিক সেদিক খাপছাড়া, পারষ্পরিক সম্পর্কহীন এবং ছোটখাট পর্যায়ের গাণিতিক সৌন্দর্য। অনেক জায়গায় রাশাদ খলীফার মত গোঁজামিল দেয়া গাণিতিক সৌন্দর্য।তাদের এতসব অনুসন্ধানের পরেও ব্যর্থ হওয়ার কারণে , আমাদের ১ম দাবী আরো বেশী মজবুতভাবে প্রমাণিত হলো যে, বিসমিল্লাহ্‌র মত এত বিরাট ও জটিল গাণিতিক সৌন্দর্যময় বাক্য কোনদিনও এমনি এমনি হতে পারেনা।হাজার লক্ষ বাক্য খুঁজেও একটি বাক্যও এমন পাওয়া যায়নি, যেটা বিসমিল্লাহ্‌র পাশে এসে দাঁড়াতে পারে।

    বিসমিল্লাহ্‌র গাণিতিক সৌন্দর্যকে যখন তারা হঠাত ঘটনাচক্র প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলো ,তখন তারা প্রমাণ করতে চাইলো যে, এরকম গাণিতিক সৌন্দর্যময় বাক্য মানুষের পক্ষেও বানানো সম্ভব। এই উদ্দেশ্যে তারা আধুনিক কম্পিউটার দিয়ে বহু হিসাব নিকাশ করে , হাজার হাজার বাক্য নিয়ে গবেষণা করলো। কিন্তু সবই বৃথা।বিসমিল্লাহর মত বিরাট গাণিতিক সৌন্দর্যও থাকে, আবার সুন্দর অর্থও থাকে এমন বাক্য তারা কিছুতেই বানাতে পারলোনা। তখন তারা সেই বিসমিল্লাহকেই শেষমেশ নিজেদের অবলম্বন বানালো। অনেক মাথা খাটালো , অনেক চিন্তা করলো। একটা উপায় বের হলো। তারা চিন্তা করলো যে, বিসমিল্লাহর ১ম দুই শব্দকে ঠিক রেখে শেষ দুই শব্দের মধ্যে যে আল্লাহর দুটি সুন্দর গুণবাচক নাম আছে, সেখানে এমন দুইটি শব্দ খুঁজে বসাতে হবে যেন সেগুলোর গাণিতিক মান অপরিবর্তিত থাকে। এবং বহু খুঁজে খুব বিশ্রী, মুখে আনার অনুপযুক্ত দুটি শব্দ পেয়ে গেলো । তারা সেই বাজে শব্দ দু'টিকে "রহমান" ও "রহীম" এই দুই শব্দের জায়গায় বসিয়ে দিলো। আর যেহেতু রহমান ও রহীমের যেই গাণিতিক মান, নতুন শব্দ দুটিরও সেই গাণিতিক মান; ফলে গাণিতিক হিসাব নিকাশ অপরিবর্তিত রইলো। এরপর তারা দাবী করলো যে, এই দেখো এরকম গাণিতিক সৌন্দর্যময় বাক্য বানানো মানুষের পক্ষেও সম্ভব। সুতরাং তোমাদের ২নং দাবী ঠিক নয়।
    এর জবাবে আমরা বলছি যে- ১ম কথা হলো, নতুন যেই বাক্যটি তৈরী করা হয়েছে, সেটাকে বিসমিল্লাহর উপর ভিত্তি করেই একটু কৌশল করে তৈরী করা হয়েছে। ২য় কথা হলো, নতুন বাক্যটির কোন যুক্তিসংগত অর্থ হয়নি। ৩য় কথা হলো, বাক্যটি তৈরী করতে হয়েছে, এমনি এমনি তৈরী হয়নি। এর দ্বারা আমাদের ১ম দাবী মজবুতভাবে প্রমাণিত হলো যে, এমন গাণিতিক সৌন্দর্যময় বাক্য এমনি এমনি হতে পারেনা, কাউকে তৈরী করতে হবে। ৪র্থ কথা হলো, বাক্যটি তৈরী করা হয়েছে অত্যাধুনিক কম্পিউটারের সাহায্যে। আর ইসলামের শুরুর জামানায় কোন ক্যালকুলেটরও ছিলোনা, এমনকি বেশীরভাগ মানুষ লেখাপড়াই জানতোনা। সুতরাং আমাদের ২নং দাবীও প্রমাণিত হলো যে, বিসমিল্লাহর মত এমন জটিল গাণিতিক সৌন্দর্যময় বাক্য কোন মানুষ তৈরী করেনি; বরং মহাজ্ঞানী আল্লাহ পাক তৈরী করেছেন। তারা বিসমিল্লাহ্‌র মিরাকেলকে খন্ডন করতে গিয়ে উল্টো আরো বেশী মজবুত করে বিসমিল্লাহ্‌র মিরাকেলকে সাব্যস্ত করলো। কষ্ট করে পড়ার জন্য সবাইকে শুকরিয়া জানাই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন। সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
     
    • Informative Informative x 1
  2. nobish
    Offline

    nobish Welknown Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Apr 28, 2013
    Messages:
    6,454
    Likes Received:
    2,253
    Gender:
    Male
    Location:
    Jessore
    Reputation:
    641
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ভয়াবহ অবস্থা!
    আল্লাহ আমার বোধ শক্তি আরো প্রখর করুন।

    তথ্যগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য পোষ্টদাতাকে আন্তরিক মোবারক বাদ জানাই।
     
    • Friendly Friendly x 1
  3. alobilikori
    Offline

    alobilikori Newbie Member

    Joined:
    Sep 2, 2013
    Messages:
    13
    Likes Received:
    3
    Gender:
    Male
    Reputation:
    40
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আল্লাহর শুকরিয়া। জাজাকাল্লহ খায়রান।
     
  4. abdullah
    Offline

    abdullah Welknown Member Member

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    6,002
    Likes Received:
    1,583
    Reputation:
    967
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ তায়ালার অসীম ক্ষমতার সামান্য পরিচয়।
    আল্লাহু আকবার!
    যাযাকুমুল্লাহ!
     
  5. silentboy
    Offline

    silentboy আল্লাহ সবাই কে সুস্থ রাখুন , আমিন । Support Team

    Joined:
    Aug 4, 2012
    Messages:
    1,340
    Likes Received:
    410
    Gender:
    Male
    Location:
    ঢাকা
    Reputation:
    232
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    hisab ti dekhanor jonno dhonno bad
     
  6. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,406
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    অঙ্ক বিষয়টা আমার মাথায় ঠিক ভালোভাবে কাজ করে না। সব সময়ই এটা একটা জটিল ব্যাপার মনে হয়। যদিও এমন অনেকেই আছেন, যাদের কাছে অঙ্কটা একটা মজার ব্যাপার।
    এতো কঠিন বিষয়টা পড়তে কিন্তু আমার কাছে খুব একটা খারাপ লাগেনি। খারাপ কেনো ? বরং পড়তে বেশ ভালোই লেগেছে। যদিও লেখাটা ভালো করে বুঝার জন্য আমাকে একাধিকবার পড়তে হয়েছে। আর সেটা তখনি সম্ভব হয়েছে যখন এটা থেকে অনেক কিছু জানতে আর বুঝতে পেরেছি।
    খুবই উন্নত মানের একটা পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য মামাকে অনেক ধন্যবাদ !
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)