1. Hi Guest Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Huge Collection E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic প্রশ্নোত্তরে ইসলাম

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Dec 9, 2015. Replies: 13 | Views: 616

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Lover Staff Member Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    24,589
    Likes Received:
    3,786
    Gender:
    Male
    Reputation:
    832
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    বর্তমানে চলছে সুধের কাল বা সুধ-যুগ! জীবন চলার প্রতিটা ক্ষেত্রেই রাজত্ব করছে সুধের ফণাধারী সাপ... এমন কোনো সেক্টর নেই, যেখানে সুধ তার হিংস্র থাবা না বসিয়েছে! এই সুধের লেলিহান শিখা আগুনের চাইতেও দ্রুতগতিতে উর্দ্ধমুখী ছুটে চলছে। শেষ করে দিচ্ছে আমাদের অত্যান্ত দুর্বল ঈমানের সাথে থাকা মানুষদের কিছু ভালো আমল। সুধের সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকার কারনে দিন দিন আমাদের ঈমানী শক্তি লোপ পাচ্ছে। সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ইসলামের নামে কিংবা ইসলামের বেশ ধরে অনৈসলামিক কর্মকান্ড! আমরা ভুলে গেছি আমাদের করনীয়। আমরা সেটাকেই ভালো মনে করছি, যেটা বাহ্যিক দিক থেকে সৈন্দর্য্যমণ্ডিত। বাইরের চাকচিক্য আর ধর্মের কিছু কেমোফ্ল্যাজের আড়ালে যে চলছে অনৈসলামিক কর্মকান্ড সেটা ধরতেই এখন মুশকিল হয়ে গেছে। শরীয়তের যে বিধান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের জন্য তাঁর কিতাব আর রাসুল (সাঃ) এর জীবনাদর্শ দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, এর বাইরের কোনো কিছুই শরীয়ত হিসাবে মানা কিংবা পালন করা উচিৎ হবে না। মনে রাখতে হবে, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) যেটাকে ধর্মীয় বিধানের অংশ বানাননি, সেটা আমাদের ধর্মীয় বিধান হিসাবে মেনে নেয়া কোনো মতেই শুদ্ধ হবে না। আর মেনে নিয়ে পালন করলে সাওয়াব তো হবেই না, বরং বড় গুনাহ হবে। ধর্মের বিধানের ব্যাপারে যাতে কোনো কছু বাড়ানো না হয়, সে ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) হুঁসিয়ারি উচ্চারন করে গিয়েছেন!
    বর্তমানে প্রযুক্তির আশীর্বাদে আমরা অনেক কিছু খুব সহজেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে পেয়ে যাই। ইন্টারনেট খুব দ্রুত সহজলভ্য আর জনপ্রিয় হয়ে গেলেও ইলেক্ট্রিক গনমাধ্যম হিসাবে টেলিভিশনই এখনো পর্যন্ত একমাত্র বেশী লোকের পৌঁছে যাওয়া মাধ্যম। এই মাধ্যমে যে কোনো সংবাদ যেমন দ্রুত সময়ে সাধারন মানুষের কাছে পোঁছে যায়, ঠিক একইভাবে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানও দ্রুত পৌঁছে। কিছু লোক (আলেমদের কিছু অংশ) এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে ধর্ম প্রচার তথা ধর্মীয় বিধি-বিধানকে প্রচার করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। তবে মনে রাখতে হবে সেটি যেনো ধর্মীয় বিধানকে উপেক্ষা করে না হয়। প্রশ্নে উল্লেখিত বিষয়টি বর্তমান সময়ে অত্যান্ত সময়োচিত প্রশ্ন। প্রশ্নের জবাবে আমরা যেটা জানতে পেরেছি, সেগুলোর দিকে দৃস্টি দেয়া আমাদের প্রত্যেকটা মুসলমানেরই উচিৎ। কোনোভাবেই কিশোরী আর যুবতী মেয়েদের দ্ধারা পরিবেশিত কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান দেখা বা সেটাকে উৎসাহিত করা উচিৎ হবে না। এমনকি মহিলাদের দ্ধারা তাফসির সহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানও এর আওতায় পড়ে।
    আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন...
     
    Last edited: Sep 26, 2016
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Lover Staff Member Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    24,589
    Likes Received:
    3,786
    Gender:
    Male
    Reputation:
    832
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-005

    প্রশ্ন: মৃত বা জীবিত কোন ব্যক্তির নামে গরু-ছাগল ছাদাক্বা করলে দাতা উক্ত গোশত খেতে পারবে কি?
    উত্তর:দাতা খেতে পারবে না। কারণ ছাদাক্বা গরীব-মিসকীনদের হক্ব। তাদের মাঝেই তা বণ্টন করে দিতে হবে। (তওবা ৬০; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৯৫৪)।

     
    Last edited: Sep 26, 2016
  3. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Lover Staff Member Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    24,589
    Likes Received:
    3,786
    Gender:
    Male
    Reputation:
    832
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    নবী (সাঃ) বলেছেন- ছাদাক্বা গরীবদের হক্ক! যেহেতু যারা ছাদাক্বা করে থাকেন, তারা বেশীরভাগই বিত্তশালী হয়ে থাকেন, তাই কোনভাবেই সেই ছাদাক্বাকৃত পশুর গোশ্‌ত নিজেরা খেতে পারবেন না এটাই স্বাভাবিক। একটা জিনিষ কি খেয়াল করে দেখেছেন? উচ্চবিত্তদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যে পরিমান খাবার অবহেলায় নষ্ট হয়, সেটা অতিরিক্ত আকারে কিংবা উচ্ছিস্টাকারেই হউক- তা দিয়ে অনায়াসে গরীব পরিবারের বেশ কয়েক পরিবারের দুবেলা অনায়াসে চালানো যেতো। সে উচ্ছিষ্ট যখন অনুষ্ঠান শেষে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়, সেখান থেকে অনেক টোকাই সেগুলো সংগ্রহ করে নিজেদের খাবার জন্য নিয়ে যায়। তারা সেগুলো খাবার পর খুব ভালোভাবেই তাদের পেটে সয়ে যায়। কিন্তু সে একই খাবার যদি কোন উচ্চবিত্তদের খেতে দেয়া হয়, তবে কি অবস্থা হবে? আমার তো মনে হয় খাবার পর ডায়রিয়া বা পেটের পীড়া হবে না এমন কোনো উচ্চবিত্ত একজনও পাওয়া যাবে না। তার মানে হলো- আল্লাহ তাদেরকে (গরীবদেরকে) এই খাবার খেয়ে হজম করার শক্তি দিয়েছেন, যা উচ্চবিত্তদের দেননি! এথেকেই আমরা একটা শিক্ষা নিতে পারি- দুনিয়াতে এমন কিছু বিষয় আছে, উচ্চবিত্তদের জন্য যা উপযুগী নয়, কিন্তু গরীবদের জন্য উপযুক্ত! যেমন যাকাত, ফিতরা, ছাদাক্বা ইত্যাদী। এই সমস্ত কিছুই গরীবদের হক্ব। সুতরাং গরীবদের এই হক্বে কোনোভাবেই ধনীদের অধিকার কিংবা গ্রহণ করার যোগ্যতা নেই।
    আল্লাহ আমাদের যেনো যার যার হক্ব আদায়ের তওফিক দেন, সে প্রার্থনা করছি...
     
  4. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Lover Staff Member Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    24,589
    Likes Received:
    3,786
    Gender:
    Male
    Reputation:
    832
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-006

    প্রশ্ন: মহিলারা নিজ বাড়ীতে ই‘তিকাফ করতে পারে কি?

    উত্তর:পুরুষ বা মহিলা কারো জন্যই জুম‘আ মসজিদ ছাড়া বাড়ীতে ই‘তিকাফ করা সিদ্ধ নয় (বাক্বারাহ্ ১৮৭; আবুদাউদ, মিশকাত হা/২১০৬ ‘ইতিকাফ’ অনুচ্ছেদ)। মহিলাদের জন্য মসজিদে পৃথক জায়গা থাকলে এবং যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে কোন জুম‘আ মসজিদে গিয়ে ই‘তিকাফ করতে পারবে। রাসূল (সাঃ)-এর স্ত্রীগণ মসজিদে ই‘তিকাফ করতেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২০৯৭; বুখারী হা/২০৪১, ২০৪৫)।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 1)