1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Bengali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার :

    যে কোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সন প্রয়োজন হলে Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic প্রশ্নোত্তরে ইসলাম

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Dec 9, 2015. Replies: 55 | Views: 1817

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,532
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আমাদের সমাজে এটা খুব নিয়মিতই দেখা যায়। ছোট বাচ্চাদের কপালে কালো রংয়ের টিপ পড়িয়ে দিচ্ছে তাদের মা বা অভিবাবকরা। কেনো টিপ পড়িয়ে দিচ্ছে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে বেশীরভাগ লোকই বলে বাচ্চাকে বদ নজর থেকে রক্ষা করার জন্য এই প্রয়াস। খুব সাধারনভাবে ভাবলেও এই কথার কোনো যুক্তি খুঁজে পাওয়া যাবে না, কুসংস্কার কিংবা পূর্বে থেকে প্রচলীত রীতি ছাড়া। আর গভীর ভাবে ভাবলে কিংবা এই ব্যাপারে তাত্বিক বিশ্লেষণ করলে তো এর কোনো মানেই খুঁজে পাওয়া যাবে না। একটা কালো টিপ কোনোভাবেই কারোর রক্ষাকবচ হতে পারে না। না আছে এতে কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আর না আছে ধর্মীয় ভিত্তি। অথচ তারপরেও দিনের পর দিন আমরা এই ধরনের একটা কুসংস্কার নিজেদের সমাজে চর্চ্চা করে যাচ্ছি। গ্রামের অশিক্ষীত লোকেদের মাঝে এর প্রচলন বেশী বলে গ্রামে এর বিস্তারও বেশী। অধুনা শহরে এর প্রচলন তুলনামূলক কম হলেও কেউ কেউ সেই পুরনো ধ্যান ধারনার এই প্রচলিত রীতি থেকে নিজেদের মুক্ত করতে চান না। তাদের ধারনা টিপের কারনে শিশুদের ভালো কিছু না হলেই কি পুর্বপুরুষরা এটা চর্চ্চা করে গেছেন ? আবার কেউ কেউ মনে করেন, জগতে এমন কিছু ঘটনা আছে যার কোনো বৈজ্ঞানিক কিংবা ধর্মীয় ব্যাখ্যা নেই। ব্যাখ্যা না থাকলেও তাতে উপকার আছে। আর টিপ হলো সেই ধরনের একটা বিষয়। যার কোনো ব্যাখ্যা নেই, কিন্তু উপকার আছে। আর সে জন্যই শিশুদের কপালে টিপ পড়িয়ে দেবার পক্ষপাতি তারা। অতি সম্প্রতি এই ধরনের কুসংস্কারের বিপক্ষে ধর্মীয়ভাবে জোড়ালো বক্তব্য থাকার প্রেক্ষিতে অনেকেই আবার কপালের সেই টিপ শিশুদের কানের পিছনে কিংবা পায়ের তলায়ও দিয়ে থাকেন। এযেনো লোক দেখানো ভয়েরই একটা বহিঃপ্রকাশ। শিশুর কপালে কালো টিপ দেয়া আছে এটা কেউ দেখলে যদি শিশুর বাবা-মা কিংবা সেই ফ্যামিলীকে গেঁয়ো না ভাবে সে জন্যও এই ধরনের চাতুরির আশ্রয় নেয়া হয়ে থাকে। কিন্তু তাদের মনের ভিতরে বদ্ধমুল ধারনা থাকে যে এই কালো টিপ তাদের সন্তানকে সুরক্ষা দিবে। এটা মারাত্নক একটা ভুল ধারনা ছাড়া আর কিছুই নয়। এতে যে শিরকের মতো অমার্জনীয় অপরাধ বা পাপ হচ্ছে সেটা খেয়ালই করছে না।
    হিন্দু রীতির সাথে এর একটা সামঞ্জস্যতা লক্ষ করা যায়। পূর্বে সব হিন্দু রমণীরা বিয়ের পর মাথার সিঁথিতে সিঁদুর ব্যবহার করতেন ও কপালে সিঁদুরের লা টিপ দিতেন। ইদানিং অনেকেই সেই সিঁথীর সিঁদুর লাল টিপে পরিবর্তন করে কপালের মাঝখানেই শুধু দিয়ে থাকেন কিংবা মাথার মাঝ বরাবর চুলের ভিতর ছোট্ট করে সিঁদুর ব্যবহার করে থাকেন। সেই লাল টিপের অংশ হিসাবে শিশুদের কালো টিপের একটা প্রচলন হিন্দু সমাজে আগে থেকেই প্রচলীত ছিলো। কালক্রমে যেটা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের একটা অংশ হয়ে গেছে। যদিও এই ব্যাপারে হিন্দু ধর্মীয় কোনো বিধানও পাওয়া যায় না। শুধু লোকমুখে শুনে শুনে এটাকে তারা ধর্মীয় বিশ্বাসে রূপান্তরিত করে নিয়েছে মাত্র...
    শিশু সন্তানদের সুরক্ষার জন্য নবী (সাঃ) থেকে আমরা যে শিক্ষা পাই তা হলো শিশুদের নানাবিধ কুদৃস্টি আর জাগতিক বিভিন্ন ব্যাপারে সুরক্ষার জন্য নির্দিস্ট কিছু দোয়া পড়ে শিশুদের ফুঁ দিতে হবে। নবী (সাঃ) তাঁর প্রিয় দৌহিত্র হাসান (রাঃ) ও হোসাইন (রাঃ) কে এই أُعِيْذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَّمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ. (সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও বদনজর হতে তোমাদেরকে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের আশ্রয়ে দিচ্ছি।) (বুখারী/হাঃ ৩৩৭১) দোয়াটি পড়ে ফুঁক দিতেন। শিশুদের বদ নজর থেকে বাঁচানোর এর থেকে ভালো কোনো উপায় নেই...

    আমরা যেনো যাবতীয় কুসংস্কার থেকে নিজেদের রক্ষা করে ধর্মীয় বিধান মতো জীবন পরিচালনা করতে পারি, মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট এটাই প্রার্থনা !
     
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,532
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-025

    প্রশ্ন : মা হাওয়া নাকের কোন্ দিকে নাকফুল ব্যবহার করতেন? আমরা নাকের ডান দিকে নাকফুল ব্যবহার করি। কারণ রাসূল (সাঃ) সব কাজ ডান দিক থেকে করা ভালবাসতেন। আমাদের একাজ কি শরী‘আত সম্মত হচ্ছে?

    উত্তর: মা হাওয়া নাকে নাকফুল ব্যবহার করেছেন কিনা তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। রাসূল (সাঃ) সব কাজ ডান দিক থেকে করতেন বলতে এই অর্থ নয় যে, নাকের ডান দিকে নাকফুল দিতে হবে; বরং সুবিধা অনুযায়ী দিবে। রাসূল (সাঃ) ডান হাতে আংটি পরতেন। প্রয়োজনে কখনো বাম হাতেও পরতেন (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৩৯১-৪৩৯২; ইরওয়া ৩/৩০১)।
     
  3. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,532
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    যেখানে মুসলমান হিসাবে আমাদের ক্বোরআন গবেষণা করে এমন কিছু তত্ব আবিস্কার করার কথা ছিলো যা যুগান্তকারী আবিস্কার হিসাবে প্রতীয়মান হয়। সেখানে আমরা খুব সাধারন কিছু মাসয়ালা নিয়ে পড়ে আছি। অথচ, আমরা অনেকেই জানি না যে, এসব মাসয়ালার ক্ষেত্রে ইসলাম খুবই উদার। অর্থাত শরীয়তের সংবিধিবদ্ধ বিধানের বাইরে যে সকল ক্রিয়া কর্ম দ্ধারা আমাদের জীবন পরিচালিত হয়ে থাকে সেসব ক্ষেত্রে শরীয়ত একটা নির্দিস্ট ছক এঁকে দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। যেহেতু ঐসব ক্রিয়া কর্মের ব্যাপারে শরীয়তে সরাসরি কোনো বিধান নেই, তাই ছক অনুযায়ী সুবিধা মতো যেকোনো একটা বেছে নিলেই হবে। সাধারন ক্রিয়া কর্ম প্রতিপালনের জন্য বান্দাকে কোনো বাধ্য বাধকতার ভিতর দিয়ে যেতে হবে না। বরং সামাজিকভাবে অনহীতকর না হলে সেসব ক্রিয়া কর্মের ব্যাপারে ইসলামের অনুসারীগন পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে।
    এই নাকফুল পরিধানের বিষয়টাও অনেকটা ঐরকমই। এর জন্য শরীয়তের কোনো বিধি বিধান বিধিবদ্ধ নেই। এক্ষেত্রে সামাজিকতা কিংবা পছন্দ যে কোনোভাবেই যেটা সুবিধাজনক হবে সেটাই গ্রহণ করতে পারবে। তবে ছক অনুযায়ী মাসয়ালার ব্যাপারটা হলো, এক্ষেত্রে বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে তার স্বামীর পছন্দের ব্যাপারটার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কেননা একজন পুরুষ যেমন কখনো আল্লাহর প্রিয় হতে পারবে না, যদি না সে স্বীয় স্ত্রীর কাছে পছন্দনীয় না হয়। ঠিক একইভাবে একজন মহিলা কখনো আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় হতে পারবে না, যতোক্ষন না তার স্বামীর কাছে নিজে পছন্দনীয় না হতে পারবে। সেদিক বিবেচনা করে একজন স্ত্রীর জন্য সেটাই উত্তম যা তার স্বামী উত্তম হিসাবে গ্রহণ করে। প্রকারন্তরে একজন ভালো স্ত্রীর তাই করা উচিৎ, যা তার স্বামী পছন্দ করে কিংবা স্বামীর অনুমোদন থাকে। স্বামী যদি নাকফুল ডান নাকে দেয়া পছন্দ করে তবে সেটা ডান নাকেই দিতে হবে, আবার বাম নাকে পছন্দ করলে বাম নাকে।
     
  4. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,532
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-026

    প্রশ্ন : আল-আক্বাইদ ফাযিল গাইডে লেখা হয়েছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ ) ৪০ বছর ঘুমাননি। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?

    উত্তর: উক্ত বক্তব্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এছাড়া ইমাম ছাহেব এক ওযূতে ফজর পড়েছেন ৪০ বছর যাবৎ (২) তিনি প্রতি রাক‘আতে এক খতম কুরআন পড়তেন (৩) প্রতি রাতে এশার হাযার রাক‘আত ছালাত পড়তেন (৪) যে স্থানে তাঁর মৃত্যু হয়, সে স্থানে তিনি সাত হাযার বার কুরআন খতম করেন ইত্যাদি বিষয়ে আল্লামা আব্দুল হাই লাক্ষ্ণৌভী হানাফী (রহঃ ) বলেন, ইবাদতে বাড়াবাড়ি স্রেফ বিদ‘আত। যারা এসব কথা বলে, তারা সবচেয়ে বড় বিদ‘আতী ও বড় জাহিল (দ্র: মুক্বাদ্দামা শরহে বেক্বায়াহ (দেউবন্দ ছাপা) পৃ: ৩৬-৩৭)।
     
  5. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,532
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আমরা অনেকেই তুলনা করতে যেয়ে কিংবা প্রশংসা করতে যেয়ে এমন অবস্থার সৃস্টি করে ফেলি যার ফলে সেটি তখন আর প্রশংসা থাকে না। হয়ে যায় দোষ ! এটি অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছুই নয়। আর এই অজ্ঞতা বা মূর্খ্যতাকে কেন্দ্র করে বাড়াবাড়িও কম হয় না। অথচ যাকে নিয়ে আমরা বাড়াবাড়ি করছি এতে তার কিছু বাড়ে বলে আমার মনে হয় না। যেমন ধরুন, কারো রূপের প্রশংসা করতে যেয়ে কেউ বললো, তুমি চাঁদের চেয়েও সুন্দর। এখন এই তুলনাটা সে যার সাথে করেছে তার সম্পর্কে কতোটুকু জেনে বুঝে করেছে সেটা কিন্তু তুলনাকারীর জানা নেই। বরং যেখানে আল্লাহ নিজেই ঘোষনা দিয়েছেন যে আল্লাহ মানুষকে উত্তম অবয়ব দিয়ে সৃস্টি করেছেন। তার মানে হলো, সব থেকে উত্তম অবয়বকে আমরা না বুঝে তার চাইতেও নিন্ম মানের কোনো কিছুর সাথে তুলনা করে উপরে উঠাতে চাচ্ছি। এটা কি মূর্খ্যতা নয় ?
    একই কায়দায় ইমাম আবু হানিফাকে বড় করার উদ্দেশ্যে এমন একেক তুলনা করে ফেলি যেটির কারনে এরকম একজন মহান ব্যাক্তিকে একেবারে সাধারন মানে নামিয়ে নিয়ে আসি। যেমন উল্লেখিত প্রশ্ন-উত্তর থেকে আমরা ইমাম আবু হানিফার যেসব গুনের কথা আলোচনা করে তাঁকে উপরে উঠাতে চাই সে সকল গুন যদি ইমাম আবু হানিফার সত্যিকারেই থাকতো, তবে তিনি আর মানুষ থাকতেন না। হয়ে যেতেন ফেরেস্তাদের অন্তর্গত। আর আল্লাহ মানুষকে শ্রেষ্ঠ জীব হিসাবে তৈরী করেছেন। আর সে কারনেই মানুষ সৃস্টির পর সমস্ত ফেরাস্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে তারা মানুষকে সম্মান জানিয়ে সিজদা করে। আর ফেরেস্তারাও সেটি নির্দ্ধিধায় পালন করেছিলো। শুধু ইবলিশ ব্যাতীত। আর এই কারনেই ইবলিশ লা'নত প্রাপ্ত হয়ে বেহেস্ত থেকে বেড়িয়ে আসতে হয়েছিলো..
    সুতরাং, এখানে আলী (রাঃ) এর সেই কথাটিই সব থেকে প্রযোজ্য, "কেউ যদি কারো প্রাপ্য থেকে কম দেয়, তবে সে কৃপণ। আর যদি বেশী দেয়, তবে সে চাটুকার "
    আমাদের সবারই উচিৎ চাটুকার আর কৃপণ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা। যার যে উপাধী বা তুলনা প্রাপ্য আমরা যেনো তাকে সেটাই দেই। এতেই তাঁর সম্মান বৃদ্ধি পায়, অন্যথায় তাঁকে শুধু অপমানই করা হয়...
     
  6. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,532
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-027

    প্রশ্ন : কুরআন হেফয করার পর মুখস্থ না রাখতে পারলে গোনাহগার হবে। একথা কি ঠিক?

    উত্তর: কুরআন ভুলে যাওয়া বড়ই মন্দ কাজ। চেষ্টা সত্ত্বেও যদি ভুলে যায়, তবে সে গুনাহগার হবে না। রাসূলুল্লাহ (ছা:) বলেন, ‘তোমরা কুরআনের প্রতি যথাযথ দৃষ্টি রাখ। আল্লাহর কসম! উট যেমন বাঁধন হ’তে ছুটে চলে যায়, ‘কুরআন তার চেয়ে বেশী দ্রুত চলে যায়’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২১৮৭)। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি কষ্টকরভাবে কুরআন পাঠ করে, সে দ্বিগুণ ছওয়াব পায়’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২১১২)। তিনি বলেন, ক্বিয়ামতের দিন ছাহেবুল কুরআনকে বলা হবে, তুমি কুরআন পড়তে থাক এবং জান্নাতে তোমার সম্মানের স্তর বৃদ্ধি করতে থাক’ (আহমাদ, মিশকাত হা/২১৩৪)। উল্লেখ্য, যে ব্যক্তি কুরআন শিক্ষা করে ভুলে যাবে সে ক্বিয়ামতের দিন অঙ্গহানী অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আবুদাঊদ হা/১৪৭৪; মিশকাত হা/২২০০)।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)