1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাক্বলীদ

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Feb 29, 2016. Replies: 52 | Views: 2085

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,465
    Likes Received:
    3,978
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ইমামদেরকে সম্মান করা আবশ্যক :

    আললাহ তা‘আলা মুমিনদেরকে তাদের পূর্বপুরুষ তথা ছাহাবীগণ, ইমামগণ ও নেক্কার ব্যক্তিগণের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, وَالَّذِيْنَ جَاءُوْا مِنْ بَعْدِهِمْ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِيْنَ سَبَقُوْنَا بِالْإِيْمَانِ وَلاَ تَجْعَلْ فِيْ قُلُوْبِنَا غِلاً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوْا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوْفٌ رَّحِيْمٌ- ‘যারা তাদের পরে এসেছে, তারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এবং ঈমানে অগ্রগামী আমাদের ভাইদেরকে ক্ষমা কর এবং মুমিনদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে বিদ্বেষ রেখ না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি তো দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু’ (হাশর ১০)।

    অতএব মুমিনদের কর্তব্য হ’ল ইমামদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা, তাঁদের মাগফিরাতের জন্য দো‘আ করা, তাঁদের ইলম দ্বারা নিজে উপকৃত হওয়া এবং অহি-র বিধানকে ইমামদের কথার উপর বিনা দ্বিধায় প্রাধান্য দেয়া। কিন্তু অহি-র বিধানকে উপেক্ষা করে ইমামদের কথাকে প্রাধান্য দেয়া কখনই বৈধ নয়। কেননা ইমামগণ কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। সকলেই তাদের ইজতিহাদে কিছু না কিছু ভুল করেছেন। কিন্তু ভুল করলেও তাঁরা নেকী পেয়েছেন। হাদীছে এসেছে,
    عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ : إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ، وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ ثُمَّ أَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ.

    আমর ইবনুল আছ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ছাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন, ‘কোন বিচারক ইজতিহাদে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছলে তার জন্য আছে দু’টি নেকী। আর বিচারক ইজতিহাদে ভুল করলে তার জন্যও রয়েছে একটি নেকী’। (বুখারী, হা/৭৩৫২ ‘বিচারক ইজতিহাদে ঠিক করুক বা ভুল করুক তার প্রতিদান পাবে’ অধ্যায়।)

    সুতরাং ইমামদেরকে যথাযথ সম্মান করতে হবে। কুরআন ও ছহীহ হাদীছের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তাদের অভিমতকে সাদরে গ্রহণ করতে হবে। পক্ষান্তরে তাঁদের কোন কথা কুরআন-হাদীছের বিপরীত হ’লে তা বর্জন করতে হবে এবং কুরআন-হাদীছের নির্দেশকে অবনত মস্তকে মেনে নিতে হবে।
     
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,465
    Likes Received:
    3,978
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    মাযহাবী দ্বন্দ্ব অবসানের উপায় :

    মাযহাবী দ্বন্দ্ব অবসানের অন্যতম উপায় হ’ল-
    (ক) মাযহাবী গোঁড়ামিকে পদদলিত করে কিতাব ও সুন্নাহর যথাযথ অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। রাসূল (ছাঃ)-এর বাণী-تَرَكْتُ فِيْكُمْ أَمْرَيْنِ، لَنْ تَضِلُّوْا مَا إِنْ تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا كِتَابَ اللهِ وَسُنَّةَ نَبِيِّهِ. ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি বস্তু ছেড়ে যাচ্ছি, যতদিন পর্যন্ত তোমরা ঐ দু’টি বস্তুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থাকবে, ততদিন পর্যন্ত তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। তা হচ্ছে- ১. আল্লাহর কিতাব (কুরআন) ও ২. তাঁর রাসূলের সুন্নাত (হাদীছ)’। (সিলসিলা ছহীহাহ, ৪/১৭৬১।)

    (খ) কোন বিষয়ে মতভেদ দেখা দিলে নির্দিষ্ট কোন মাযহাবের তাক্বলীদ না করে একমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে ফিরে যাওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস কর, তবে তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর, আনুগত্য কর রাসূলের এবং আনুগত্য কর আমীরের। কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটলে, তা সোপর্দ কর আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের নিকটে। এটাই উত্তম এবং পরিণামে প্রকৃষ্টতর’ (নিসা ৫৯)।

    (গ) সার্বিক জীবনে অহি-র বিধান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাপ-দাদার দোহাই না দিয়ে কুরআন ও ছহীহ হাদীছকে নিঃশর্তভাবে মেনে নেয়া। আল্লাহ তা‘আলার বাণী, ‘যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তোমরা তার অনুসরণ কর, তখন তারা বলে, না, বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে যার উপর পেয়েছি তার অনুসরণ করব। এমনকি তাদের পিতৃপুরুষগণ যদিও কিছুই বুঝত না এবং তারা সৎপথেও পরিচালিত ছিল না তথাপিও’? (বাক্বারাহ ১৭০)।
     
  3. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    26,465
    Likes Received:
    3,978
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    উপসংহার :

    পরিশেষে বলা যায় যে, আল্লাহ রাববুল আলামীন মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদতের উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلاَّ لِيَعْبُدُوْنِ. ‘আমি সৃষ্টি করেছি জিন এবং মানুষকে এজন্য যে, তারা আমারই ইবাদত করবে’ (যারিয়াত ৫৬)। আর ইবাদত কিভাবে করতে হবে তাও তিনি অহী মারফত জানিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং ইবাদতের মূল দিক নির্দেশিকা হ’ল কুরআন ও হাদীছ; মানুষের রায় বা মত নয়। তাই মাযহাবী গোঁড়ামি ত্যাগ করে জীবনের সর্বক্ষেত্রে কেবলমাত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের অনুসরণ করলেই সকল সমস্যার সমাধান পাওয়া সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ মনমানসিকতা। অর্থাৎ কুরআন ও ছহীহ হাদীছের সামনে নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণের মানসিকতা, যা মানুষকে হক্ব গ্রহণে সহায়তা করবে এবং মাযহাবী দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাবে ইনশাআললাহ। আল্লাহ আমাদের সহায় হৌন- আমীন!
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)