1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Bengali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার :

    যে কোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সন প্রয়োজন হলে Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Collected নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কবিতাসমগ্র

Discussion in 'Collected' started by Tazul Islam, Jul 20, 2016. Replies: 39 | Views: 3912

  1. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    [​IMG] নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী (১৯ অক্টোবর ১৯২৪) একজন ভারতীয় বাঙ্গালি কবি। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে আবির্ভুত আধুনিক বাংলা কবিদের অন্যতম। উলঙ্গ রাজা তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ। এই কাব্যগ্রন্হ লেখার জন্য তিনি ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। কবি পশ্চিমবঙ্গে বাংলা আকাদেমির সাথে দীর্ঘকাল যুক্ত।

    শৈশব ও কৈশোরঃ
    তাঁর শৈশবের পুরোটাই কেটেছে পূর্ববঙ্গে যা বর্তমান বাংলাদেশ, ঠাকুরদা আর ঠাকুমার কাছে। কবির ঠাকুরদা কর্মজীবন কাটিয়েছেন কলকাতায়। কর্মজীবন শেষে ৫০ বছর বয়সে কলকাতার পাট চুকিয়ে বাংলাদেশের ফরিদপুর বাড়ি চান্দ্রা গ্রামে চলে আসেন। তার বাবা কলকাতাতেই ছিলেন। কলকাতার একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কাজ করতেন। দুই বছর বয়সে কবির মা বাবার কর্মস্থল কলকাতায় চলে যান। কবি থেকে যান ঠাকুরদার নাম লোকনাথ চক্রবর্তীর কাছে। গ্রামে কাটিয়েছেন মহা স্বাধীনতা—ইচ্ছেমতো দৌড়ঝাঁপ করে। কখনো গাছে উঠছেন; কখনো আপন মনে ঘুরেছে গ্রামের এই প্রাপ্ত থেকে অন্যপ্রাপ্তে। চার বছর বয়সে কবির কাকিমা বলছিলেন, ‌'তুই তো দেখছি কবিদের মতোন কথা বলছিস!' সেই সময়েই মুখস্থ করেছিল গ্রামে কবিয়ালরা, কবিগান,রামায়ণ গান। গ্রামের দিনগুলো খুব সুন্দর কেটেছেন তাই তিনি এ গ্রামের বাড়ি ছেড়ে কলকাতায় যেতে চাইতেন না। তবে ঠাকুরদার মৃত্যুর পর গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় চলে যান। এখন তিনি কলকাতায় থাকেন।

    কাব্যগ্রন্থঃ
    অন্ধকার বারান্দা (১৩৬৭)
    আজ সকালে (১৯৭৮)
    আর রঙ্গ (১৯৯১)
    উলঙ্গ রাজা (১৯৭১)
    কবিতার বদলে কবিতা (১৩৮৩)
    কলকাতার যীশু (১৩৭৬)
    খোলা মুঠি (১৩৮১)
    ঘুমিয়ে পড়ার আগে (১৯৮৭)
    ঘর দুয়ার (১৯৮৩)
    চল্লিশের দিনগুলি (১৯৯৪)
    জঙ্গলে এক উন্মাদিনী
    যাবতীয় ভালোবাসাবাসি (১৩৯২)
    নক্ষত্র জয়ের জন্য (১৩৭৬)
    নীরক্ত করবী (১৩৭১)
    নীলনির্জন (১৩৬১)
    পাগলা ঘন্টি (১৩৮৭)
    সত্য সেলুকাস (১৯৯৫)
    সময় বড় কম (১৩৯০)

    পুরস্কার ও সম্মাননাঃ
    সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার(১৯৭৪)
    তারাশঙ্কর-স্মৃতি
    আনন্দ শিরমণি
     
  2. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    হেলং
    - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী---অন্ধকার বারান্দা


    এ যেন আরণ্য প্রেত-রাত্রির শিয়রে এক মুঠো
    জ্যোৎস্নার অভয়।
    অন্তত তখন তা-ই মনে হয়েছিল
    সুন্দরী হেলং, সেই পাহাড়িয়া বৃষ্টির তিমিরে।
    সকাল থেকেই সূর্য নিখোঁজ। দক্ষিণে
    স্পর্ধিত পাহাড়। বাঁয়ে অতল গড়খাই
    উন্মাদ হাওয়ার মাতামাতি
    শীর্ণ গিরিপথে।
    যেন কোনো রূপকথার হৃতমণি অন্ধ অজগর
    প্রচণ্ড আক্রোশে তার গুহা থেকে আথালি-পাথালি
    ছুটে আসে; শত্রু তার পলাতক জেনে
    নিজেকে দংশন হানে, আর
    মৃত্যুর পাখসাট খায় পাথরে-পাথরে।
    উপরে চক্রান্ত চলে ক্রূর দেবতার। ত্রস্ত পায়ে
    নীচে নেমে আর-এক বিস্ময়।
    এ কেমন অলৌকিক নিয়মে নিষ্ঠুর
    ঝঞ্চা প্রতিহত, হাওয়া নিশ্চুপ এখানে।
    নিত্যকার মতোই দোকানি
    সাজায় পসরা, চাষি মাঠে যায়, গৃহস্থ-বাড়ির
    দেয়ালে চিত্রিত পট, শান্ত গাঁওবুড়া
    গল্প বলে চায়ের মসলিসে।
    দুঃখের নেপথ্যে স্থির, আনন্দের পরম আশ্রয়
    প্রাণের গভীরে মগ্ন, ক্ষমায় সহাস্য গিরিদরি–
    সুন্দরী হেলং।
    অন্তত তখন তা-ই মনে হয়েছিল
    তোমাকে, হেলং, সেই পাহাড়িয়া বৃষ্টির তিমিরে।
    এবং এখনও মনে হয়,
    তীব্রতম যন্ত্রণার গভীরে কোথাও
    নিত্য প্রবাহিত হয় সেই আনন্দের স্রোতস্বিনী
    যে জাগায় দারুণ ভয়ের
    মর্মকষে শান্ত বরাভয়।।
    মনে হয়, রক্তরং এই রঙ্গমঞ্চের আড়ালে
    রয়েছে কোথাও
    নেপথ্য-নাটকে স্থির নির্বিকার নায়ক-নায়িকা,
    দাঁড়ে টিয়াপাখি, শান্তি টবের অর্কিডে।
     
  3. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    হাতে ভীরু দীপ
    - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী---অন্ধকার বারান্দা


    হাতে ভীরু দীপ, পথে উন্মাদ হাওয়া,
    ভ্রুকুটিকুটিল সহস্র ভয় মনে।
    কেন ভয়? কেন এমন সঙ্গোপনে
    পথে নেমে তোর বারে-বারে ফিরে চাওয়া?
    এ কী ভয় তোর সকল সত্তা কাঁপায়?
    আমি যে এসেছি, সে যেন জানতে না পায়।
    দূরে হেলঙের পাহাড়, পাহাড়তলি
    ছাড়িয়ে পিপলকোঠির চড়াই, আর
    তারপর সাঁকো। বাঁয়ে গেলে গঙ্গার
    ধারে সেই গ্রাম, অমৌঠি রঙ্কোলি।
    সেইখানে যাব। সামনের শীতে যদি
    পাওয়া যায় জমি ঢালু সিয়াসাঙে, তাই
    চলেছি। এ ছাড়া, জানেন গঙ্গামাঈ,
    কোনো আশা নেই। বরফের তাড়া খেয়ে
    নির্জন পাকদণ্ডির পথ বেয়ে
    নীচে নেমে যাই। কী ভয়ে আমাকে কাঁপায়–
    জানে মানাগাঁও, জানে পাহাড়িয়া নদী।
    আমি যে এসেছি, সে যেন জানতে না পায়।
     
  4. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    হলুদ আলোর কবিতা
    - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী---অন্ধকার বারান্দা


    দুয়ারে হলুদ পর্দা। পর্দার বাহিরে ধুধু মাঠ
    আকাশে গৈরিক আলো জ্বলে।
    পৃথিবী কাঞ্চনপ্রভ রৌদ্রের অনলে
    শুদ্ধ হয়।
    কারা যেন সংসারের মায়াবী কপাট
    খুলে দিয়ে ঘাস, লতা, পাখির স্বভাবে
    সানন্দ সুস্থির চিত্তে মিশে গেছে। শান্ত দশ দিক।
    দুয়ারে হলুদ পর্দা। আকাশে গৈরিক
    আলো কাঁপে। সারাদিন কাঁপে।
    আকাশে গৈরিক আলো। হেমন্ত-দিনের মৃদু হাওয়া
    কৌতুকে আঙুল রাখে ঘরের কপাটে,
    জানালায়। পশ্চিমের মাঠে
    মানুষের স্নিগ্ধ কণ্ঠ। কে জানে মানুষ আজও মেঘ
    হতে গিয়ে স্বর্ণাভ মেঘের স্থির ছায়া
    হয়ে যায় কি না। তার সমস্ত আবেগ
    হয়তো সংহত হয় রোদ্দুরের হলুদ উত্তাপে।
    আলো কাঁপে। সারাদিন কাঁপে।
     
  5. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    হঠাৎ হাওয়া
    - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী---অন্ধকার বারান্দা


    হঠাৎ হাওয়া উঠেছে এই দুপুরে
    আকাশী নীল শান্তি বুঝি ছিনিয়ে নিতে চায়।
    মালোঠিগাঁও বিমূঢ়, হতবাক্‌।
    মেঘের ক্রোধ গর্জে ওঠে ঝড়ের ডঙ্কায়।
    এখনই এল ডাক।
    মন্দাকিনী মিলায় তাল তরঙ্গের নূপুরে।
    এ যেন হরধনুর টান ছিলাতে
    হেনেছে কেউ প্রবল টংকার।
    চিনের চোখ মীলিত। কার ভীষণ জটাজাল
    আকাশে পড়ে ছড়িয়ে, শোনো বাতাসে বাজে তার
    সঘন করতাল।
    ত্রিলোক কোটিকণ্ঠে চায় গানের গলা মিলাতে।
    এ যেন কোন্‌ শিল্পী তার খেয়ালে
    উপুড় করে দিয়েছে কালো রঙ
    আকাশময়। পাখিরা ত্রাসে কুলায়ে ফিরে যায়।
    কে যেন তার ক্রোধের কশা দারুণ নির্মম
    হানে হাওয়ার গায়ে।
    অট্টহাসি ধ্বনিত তার গিরিগুহার দেয়ালে।
    এবং, দ্যাখো, নিমেষে যেন কী করে
    মিলিয়ে যায় খামার-ঘরবাড়ি,
    মিলিয়ে যায় নিকট-দূর পর্বতের চূড়া।
    খেতের কাজ গুছিয়ে মাঠ-চটিতে দেয় পাড়ি
    ত্রস্ত গাঁওবুড়া।
    বিদ্যুতের নাগিনী ধায় মেঘের কালো শিখরে।
    হঠাৎ হাওয়া উঠেছে এই দুপুরে,
    আকাশী নীল শান্তি যেন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
    মালোঠিগাঁও বিমূঢ়, হতবাক্‌।
    মেঘের ক্রোধ গর্জে ওঠে ঝড়ের ডঙ্কায়।
    এসেছে তার ডাক।
    মন্দাকিনী মিলায় তাল তরঙ্গের নূপুরে।
     
  6. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    সোনালি বৃত্তে
    - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী---অন্ধকার বারান্দা


    একটুখানি কাছে এসেই দূরে যায়
    নোয়ানো এই ডালের 'পরে
    একটু বসেই উড়ে যায়।
    এই তো আমার বিকেলবেলার পাখি।
    সোনালি এই আলোর বৃত্তে
    থেমে থাকি,
    অশথ গাছের কচি পাতায় হাওয়ার নৃত্যে
    দৃষ্টি রাখি।
    একটু থামি, একটু দাঁড়াই,
    একটু ঘুরে আসি আবার।
    কখন যে সেই দূরে যাবার
    সময় হবে, জানি না তা।
    রৌদ্রে ওড়ে পাখি, কাঁপে অশথগাছের কচি পাতা।
    দুপুরবেলার দৃশ্য নদী হারিয়ে যায় বারে বারে
    সন্ধ্যাবেলার অন্ধকারে।
    তবু আবার
    সময় আসে নদীর স্বপ্নে ফিরে যাবার।
    নদীও যে পাখির মতোই, কাছের থেকে দূরে যায়,
    মনের কাছে বাঁক নিয়ে সে ঘুরে যায়।
    একটুখানি এগিয়ে তাই আলোর বৃত্তে
    থেমে থাকি,
    অশথখানি কচি পাতায় হাওয়ার নৃত্যে
    দৃষ্টি রাখি।
     
  7. monto
    Offline

    monto বেকার সমিতির সভাপতি Member

    Joined:
    Nov 9, 2013
    Messages:
    2,121
    Likes Received:
    296
    Gender:
    Male
    Location:
    উত্তর বিশিল
    Reputation:
    491
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ভাল পোষ্ট। ধন্যবাদ।
     
    • Friendly Friendly x 1
  8. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আপনাকেউ অনেক ধন্যবাদ ।
     
  9. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    সান্ধ্য তামাশা
    - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী---অন্ধকার বারান্দা


    হা-রে হা-রে হা-রে, দ্যাখো, হা-রে,
    কী জমাট সান্ধ্য তামাশায়
    আকাশের পশ্চিম দুয়ারে
    সূর্য তার ডুগডুগি বাজায়।
    টকটকে আগুনে জ্বেলে দিয়ে
    আকাশের শান্ত রাজধানী
    শূন্যে ও কে দিয়েছে উড়িয়ে
    রক্তরং সতরঞ্জখানি।
    দ্যাখো রে পুঞ্জিত মেঘে-মেঘে
    চিত্রিত অলিন্দে ঝরোকায়
    রঙের সংহত ছোঁয়া লেগে
    সারি বেঁধে ও কারা দাঁড়ায়।
    হা-রে হা-রে হা-রে, দ্যাখো, হা-রে,
    কী জমাট সান্ধ্য তামাশায়…
    ও কারা কৌতুকে ঠোঁট চেওএ
    সায়াহ্নের সংবৃত আবাগে
    দ্যাখে ভেল্কিবাজের চাতুরি;
    কী করে সে শূন্যে জাল বেয়ে
    নিখিল সন্ধ্যায় করে চুরি
    নানাবর্ণ মাছের সম্ভার।
    দর্শকেরা রয়েছে তাকিয়ে,
    তবু কিছু লজ্জা নেই তার।
    অন্তিম তামাশা ছিল বাকি।
    অকস্মাৎ চক্ষের নিমেষে
    নিঃসঙ্গ বিহ্বল এক পাখি
    বিদ্যুত-গতিতে ছুটে এসে
    যেন মায়ামন্ত্রবলে প্রায়
    ডুবেছে অথই লাল জলে।
    গেল, গেল!–মেঘেরা দৌড়ায়
    নিঃশব্দ ভীষণ কোলাহলে।
    হা-রে হা-রে হা-রে, দ্যাখো, হা-রে,
    কী জমাট সান্ধ্য তামাশায়
    আকাশের পশ্চিম দুয়ারে
    সূর্য তার ডুগডুগি বাজায়।
     
  10. Tazul Islam
    Offline

    Tazul Islam Kazirhut Lover Member

    Joined:
    Apr 20, 2016
    Messages:
    19,473
    Likes Received:
    538
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    সহোদরা
    - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী---অন্ধকার বারান্দা


    না, সে নয়, অন্য কেউ এসেছিল; ঘুমো, তুই ঘুমো।
    এখনো রয়েছে রাত্রি, রোদ্দুরে চুমো
    লাগেনি শিশিরে। ওরে বোকা,
    আকাশে ফোটেনি আলো, দরজায় এখনো তার টোকা
    পড়েনি! টগর-বেল-গন্ধরাজ-জুঁই
    সবাই ঘুমিয়ে আছে, তুই
    জাগিসনে আর! তোর বরণডালার মালাগাছি
    দে আমাকে, আমি জেগে আছি।
    না রে মেয়ে, নারে বোকা মেয়ে,
    আমি ঘুমোবো না। আমি নির্জন পথের দিকে চেয়ে
    এমন জেগেছি কত রাত।
    এমন অনেক ব্যথা-আকাঙ্ক্ষার দাঁত
    ছিঁড়েছে আমাকে! তুই ঘুমো দেখি, শান্ত হ’য়ে ঘুমো।
    শিশিরে লাগেনি তার চুমো,
    বাতাসে ওঠেনি তার গান। ওরে বোকা,
    এখনও রয়েছে রাত্রি, দরজায় পড়েনি তার টোকা ।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)