1. Dear Guest আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Huge Collection E-Books

Islamic জিন, জাদুটোনা ও বদনজর

Discussion in 'Role Of Islam' started by kaium, Oct 23, 2016. Replies: 54 | Views: 312

  1. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    তাহলে আমরা কীভাবে তাদের ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারি? আসলে এসব অদেখা সত্তা আল্লাহর দৃষ্টির বাইরে নয়। আল্লাহ না চাইলে এদের ক্ষতি করার কোনো ক্ষমতাই নেই। এমন কোনো সত্তা নেই যা মুহূর্তেরর জন্যও তাঁর নিয়ন্ত্রণ থেকে বের হতে পারে।

    "আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।" (সূরা বাকারাহ ২:২৫৫)
     
  2. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আল্লাহর দয়া

    মানুষ যদি আল্লাহর হুকুম মেনে চলে তাহলে আল্লাহ তাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিবেন। এমনকি সে ঘুমন্ত থাকলেও আল্লাহ আছেন তার নিরাপত্তা বিধানের জন্য। এসব জিন শয়তানের কোনো ক্ষমতাই নেই আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়ার।

    আল্লাহ যেমন আমাদের জিন সম্পর্কে জানিয়েছেন, তেমনি সিহর(জাদু) ও হাসাদ(হিংসাজনিত কুনজর) সম্পর্কে জানিয়েছেন। এর সাথে আরো জানিয়েছেন যে এদের নিজস্ব কোনো শক্তি নেই ক্ষতি করার।

    ইবলিস আগুন থেকে তৈরি হওয়ায় নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভেবেছিলো। অথচ আগুন আল্লাহরই সৃষ্টি। এটি আল্লাহর হুকুম অমান্য করার লাইসেন্স নয়। ফলে আল্লাহর হুকুম অমান্য করে সে চির অভিশপ্ত হয়।
     
  3. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    "আল্লাহ বললেনঃ আমি যখন নির্দেশ দিয়েছি, তখন তোকে কিসে সেজদা করতে বারণ করল? সে বললঃ আমি তার চাইতে শ্রেষ্ট। আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটির দ্বারা।" (সূরা আরাফ ৭:১২)

    একইরকম ঘটনা কারুনের সাথে ঘটেছিলো।

    "সে বললো, আমি এই ধন আমার নিজস্ব জ্ঞান-গরিমা দ্বারা পেয়েছি।" (সূরা ক্বাসাস ২৮:৭৮)

    সে ভুলে গিয়েছিলো যে জ্ঞান আল্লাহরই দান। এটি পেয়ে তার আল্লাহর প্রতি আনুগত্য বাড়ানো উচিত ছিলো।

    আমরাও যেন আল্লাহর নিয়ামাত পেয়ে নিয়ামাতদাতাকে ভুলে না যাই।

    পূর্বের আলোচনা থেকে আমরা জানলাম যে জাদুটোনা ও বদনজরের অস্তিত্ব আছে। আরো জেনেছি যে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী চললে এসব কোনো ক্ষতি করতে পারে না।
     
  4. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    জাদু কী?

    আল্লাহ কুরআনে জাদুর কথা বলেছেন। তাই মুসলিম হিসেবে আমাদের জাদুর অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেই হবে। আরবিতে জাদুকে বলে 'সিহর' যা এসেছে 'সাহার' থেকে। সাহার হলো রাতের শেষভাগ ও দিবসের প্রথমভাগের মাঝামাঝি সময়টা। এসময় পূর্ণ অন্ধকারও থাকে না, পূর্ণ আলোও থাকে না। দেখে বলা যায় না এটা কি রাত নাকি দিন।
     
  5. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    সহজ ভাষায় বললে জাদু দুইরকম। একটাতে হাত সাফাইয়ের মাধ্যমে চোখকে ফাঁকি দেওয়া হয়। আরেকটাতে সত্যিকারের অতিমানবীয় শক্তির সাহায্য নেওয়া হয়।

    মঞ্চে, অনুষ্ঠানে, সার্কাসে জাদুকররা যেসব জাদু দেখায় তা মূলত হাতসাফাই। তাদেরকে এমনভাবে ট্রেনিং দেওয়া হয় যে তারা দ্রুত হাত পা চালাতে পারে। তাই মনে হয় যেন তারা শূন্য থেকে একটা গ্লাস নিয়ে আসলো। আবার চোখের সামনেই গ্লাসটা ভ্যানিশ হয়ে গেলো। চলন্ত ফ্যানের দিকে তাকালে বিষয়টা স্পষ্ট হয়। ফ্যান বন্ধ করলে সেটার ব্লেডের সংখ্যা আর তাদের মধ্যকার দূরত্ব বোঝা যায়। কিন্তু চলন্ত অবস্থায় এর গতির কারণে চোখ এসব বুঝতে পারছিলো না।
     
  6. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    চোখের জাদু

    কিন্তু আমরা বিশেষভাবে যে প্রকারের জাদু নিয়ে আলাপ করবো তা ভিন্ন। উচ্চতর পর্যায়ের একরকমের জাদু আছে যা দ্বারা চোখের উপর সত্যিকারের মায়াজাল তৈরি করা হয়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। মূসা (আঃ) এর বিরুদ্ধে ফিরাউনের রাজ্যের জাদুকররা যে জাদু করেছিলো তা এ ধরণের। তারা দর্শকদের চোখের উপর মায়াজাল সৃষ্টি করে যার ফলে তাদের ছোঁড়া জিনিসগুলোকে আঁকাবাঁকা সাপের মত মনে হয়। বাস্তবে সেগুলোর উপাদানে কোনো পরিবর্তনই হয়নি। "তাদের যাদুর প্রভাবে হঠাৎ তাঁর মনে হলো যেন তাদের রশিগুলো ও লাঠিগুলো ছুটাছুটি করছে।" (সূরা ত্বা হা ২০:৬৬)
     
  7. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    জাদু ও মুজিযা

    যে যেই কাজে পারদর্শী, সে সেই কাজের সব গোপন রহস্য জানে। মূসা (আঃ) যখন তাঁর লাঠি ছুঁড়ে মারলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় তা সত্যিকারের সাপে পরিণত হয়। জাদুকররা তাদের জাদুর সাথে এর পার্থক্য স্পষ্ট ধরতে পারে। তাদের চোখে যেহেতু মায়াজাল ছিলো না তাই তারা লাঠিকে সাপ হতে দেখে বুঝলো এটি আল্লাহরই ইচ্ছা। কোনো জাদুকর নয়, কেবল আল্লাহই পারেন লাঠিকে সাপ বানাতে। তখন জাদুকররা ঈমান আনে।

    "অতঃপর জাদুকররা সেজদায় পড়ে গেলো। তারা বললোঃ আমরা হারুন ও মূসার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।" (সূরা ত্বা হা ২০:৭০)
     
  8. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ফিরাউন ও জাদুকরেরা


    ফিরাউন নিজে জাদুকর ছিলো না। নিজেকে ইলাহ দাবি করলেও তার কোনো অতিমানবীয় ক্ষমতা ছিলো না। তাই জাদুকরদেরকে সে ঈমান আনা থেকে আটকাতে পারেনি। জাদুকরদের এই আচমকা ঈমান আনার কারণও সে বুঝতে পারেনি। সে ব্যাখ্যা দাঁড় করালো যে মূসাই আসলে তাদের নেতা, তাঁর সাথে মিলে তারা ফিরাউনের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে। সে জাদুকরদের ভয়াবহ শাস্তির হুমকি দেয়। কিন্তু জাদুকরদের কাছে মুজিযা এত স্পষ্ট ছিলো যে তারা হুমকিকে ভয় পায়নি।

    "ফিরাউন বললো, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে? দেখছি সেই তোমাদের প্রধান, সে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতএব আমি অবশ্যই তোমাদের হস্তপদ বিপরীত দিক থেকে কর্তন করবো এবং আমি তোমাদেরকে খর্জুর বৃক্ষের কান্ডে শূলে চড়াব এবং তোমরা নিশ্চিত রূপেই জানতে পারবে আমাদের মধ্যে কার আযাব কঠোরতর এবং অধিক্ষণ স্থায়ী। যাদুকররা বললো, আমাদের কাছে যে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে তার উপর এবং যিনি আমাদের কে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর উপর আমরা কিছুতেই তোমাকে প্রাধান্য দেবো না। অতএব, তুমি যা ইচ্ছা করতে পারো। তুমি তো শুধু এই পার্থিব জীবনেই যা করার করবে।" (সূরা ত্বা হা ২০:৭১-৭২)
     
  9. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ভীতির ব্যবহার

    চোখের উপর মিছে মায়াজাল সৃষ্টি করার মাধ্যমে জাদুকররা মানুষকে ভয় দেখায়। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি জাদুকরের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এজন্যই জাদুকরদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টিকারী জিনিস ব্যবহারের প্রচলন আছে। যেমন কঙ্কালের খুলি, পরিবর্তিত কণ্ঠস্বর ইত্যাদি। ফলে ভয়ের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। এর সাহায্যে জাদুকররা মানুষকে দিয়ে যা ইচ্ছা করিয়ে নেয়। জাদুর ক্ষমতা না জিনের সাহায্য?

    জিন শয়তানেরা জাদুর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। ব্যাবিলন শহরে ফেরেশতা হারুত মারুত কর্তৃক জাদুবিদ্যা পরিচিতি লাভ করে। তারপর শয়তানেরা এটি শিখে ছড়িয়ে দেওয়া শুরু করে। কারণ জাদুবিদ্যা হলো কুফর। আর শয়তানেরা চায়ই মানুষকে কুফরে নিপতিত করতে।

    "সুলাইমান কুফরি করেনি। শয়তানেরাই কুফরি করেছিলো। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা শিক্ষা দিতো।" ( সূরা বাক্বারাহ ২:১০২)
     
  10. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,392
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    রূপ বদলের সূত্র

    জিনেরা আগুন থেকে সৃষ্ট হওয়ায় তারা বিভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারে। জাদুকরদের সাহায্য করতে শয়তানরা বিভিন্ন রূপ ধারণ করে মানুষের সামনে আসে। মানুষের দৃষ্টিসীমায় ধারণযোগ্য কোনো রূপ ধারণ না করলে জিনদেরকে মানুষ দেখতে পায় না।

    মানুষের রূপ ধারণ করলে জিনেরাও মানুষের উপর প্রযোজ্য নিয়মের অধীন হয়ে যায়। যেমন- এ সময় কেউ তাকে গুলি করলে সে মারা যাবে। এজন্য তারা একটানা বেশিক্ষণ মানুষের রূপ ধরে থাকে না। রাসূলুল্লাহকে (সাঃ) এক জিন নামাজের মাঝে বাধা দেয়। রাসূলুল্লাহ তাকে পরাস্ত করেন। তিনি চেয়েছিলেন তাকে মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখতে। কিন্তু সুলাইমান (আঃ) দুআ করোছিলেন তাঁকে যেন এমন ক্ষমতা দেওয়া হয় যা আর কাউকে দেওয়া হয়নি। তাঁর একটি বৈশিষ্ট্য ছিলো জিনকে বশীভূত করা। তাই অন্য কারো জন্য জিনকে বেঁধে রাখা ঠিক নয়। সুলাইমান (আঃ) এর দুআর কথা স্মরণ করে রাসূল (সাঃ) জিনটিকে ছেড়ে দেন।

    মানুষের রূপ ধরে আসার কারণেই জিনটিকে বাঁধা সম্ভব ছিলো। তারা যদি মানুষের সীমাবদ্ধতাগুলো এড়িয়ে মানুষের রূপ ধরতে পারতো, তাহলে জিন শয়তানেরা আমাদের জীবন অতিষ্ঠ করে ফেলতো।
     

Remote Image Uploads

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)

Users found this page by searching for:

  1. সিহর জিন