1. Dear Guest আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Huge Collection E-Books

Islamic জিন, জাদুটোনা ও বদনজর

Discussion in 'Role Of Islam' started by kaium, Oct 23, 2016. Replies: 54 | Views: 362

  1. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]জাদু এবং বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ

    পূর্বের আলোচনা থেকে আমরা জানলাম যে আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে গিয়ে মানুষের কোনো ক্ষতি করার ক্ষমতা জিন শয়তান ও জাদুকরদের নেই। সুলাইমান (আঃ) এর রাজত্ব ছিলো আল্লাহরই ইচ্ছা। আল্লাহ চাইলেই অধিক শক্তিমানকে কম শক্তিমানের অধীন করে দিতে পারেন। ফলে সুলাইমান (আঃ) মানুষ হয়েও জিনদের নিয়ন্ত্রণ করতেন। আবার আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে গিয়ে নবীরাও গায়েবের জ্ঞান হাসিল করতে পারেন না। যেমন- সুলাইমানের কাহিনীতে হুদহুদ পাখি এমন তথ্য নিয়ে এসেছিলো, যা সুলাইমান (আঃ) রাজা ও নবী হয়েও জানতেন না। জাদু ক্ষতি করে উপকার নয়।

    জাদু দিয়ে জিনদের বশ করা যায়। তাই এর ক্ষমতা সম্পর্কে জানার পর অনেকেই ভাবে যে "আমি এটা শিখে ভাল ভাল কাজ করবো।" এটা হলো মাথা ঠাণ্ডা অবস্থায় বলা কথা। কিন্তু সে যখন জাদু শিখবে, তখন অবশ্যই এর ফিতনায় পতিত হবে। কারণ আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন জাদু দিয়ে কোনো কল্যাণ হয় না।

    "তারা তাই শিখেছে যা তাদের ক্ষতিই করবে, কোনো উপকার করবে না।" (সূরা বাকারা ২:১০২)

    এখন কারো কাছে যদি মনেও হয় জাদু দিয়ে সে ভাল কাজ করবে, তা মিথ্যা। কারণ সেটা আল্লাহর কথার বিপরীতে যাবে।
    [/HIDE-THANKS]
     
  2. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]জিনের কাছে চাইতে নেই

    "অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা তাদের আত্মম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।" (সূরা জিন ৭২:৬)

    জিনদের কাছে চাওয়ার মাঝে কোনো কল্যাণ নেই। যারা জাদুবিদ্যা চর্চা করে তারা বরং সাধারণ মানুষের চেয়ে নীচু জীবনযাপন করে আর খুবই গরীব হয়। টাকা রোজগারের জন্য তারা আমজনতার উপর নির্ভরশীল। তাহলে জিন বশ করে লাভ কী হলো?

    ধনসম্পদের মত দৃশ্যমান বিষয়ের ক্ষেত্রে হারাম পন্থা অবলম্বন করলে যেমন ক্ষতি হয়, অদৃশ্য ক্ষমতার ব্যাপারে হারাম পন্থায় গেলেও একইরকম ক্ষতি হয়। ফিতনা (পরীক্ষা) দৃশ্যমান হতে পারে, যেমন- নারী, সম্পদ, সন্তান। আবার অদৃশ্যও হতে পারে, যেমন- জাদু। কিন্তু শেষোক্ত ফিতনাটি হলো অবিমিশ্র অকল্যাণ। একে ভাল উপায়ে ব্যবহার করে কল্যাণ বের করে আনার কোনো পথ নেই।

    "যারা জাদুকর, তারা সফল হতে পারে না।" (সূরা ইউনুস ১০:৭৭)

    "জাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।" (সূরা ত্বা হা ২০:৬৯)
    [/HIDE-THANKS]
     
  3. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]স্বামী স্ত্রীকে পৃথক করা

    জাদুর মাধ্যমে অনেক রকম ক্ষতিই করা যায়। আয়াতটিতে স্বামী স্ত্রীর সংসারে ভাঙন ধরানোর কথা বলা হয়েছে যা একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। দৃশ্যমান উপায়েও সংসার ভাঙা যায়। এর কথা ওর কানে লাগিয়ে কূটনামি করে অনেকেই অনেকের সংসার ভাঙে। এই কাজ জাদুর মাধ্যমেও অদৃশ্য শক্তির সাহায্যে করা যায়। কীভাবে সেটা আমাদের অজানা। হয়তো জিন শয়তান স্বামীর রূপ ধরে কুৎসিতভাবে স্ত্রীর সামনে আসে। ফলে স্ত্রীর মনে স্বামীর প্রতি বিতৃষ্ণা আসে। অথবা স্ত্রীর রূপ ধরে একইভাবে স্বামীর সামনে আসে। এর বাইরেও অনেক পদ্ধতি থাকতে পারে যা আমাদের অজানা।
    [/HIDE-THANKS]
     
  4. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]গায়েবের বিষয়ে ‘কীভাবে’ বলে কিছু নেই


    দৃশ্যমান বিষয়ের ক্ষেত্রে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায় একটা জিনিস 'কীভাবে' ঘটলো। যেমন এখন আমরা জানি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মিলে পানি তৈরী হয়। কিন্তু গায়েবের বিষয়ের ক্ষেত্রে 'কীভাবে' বলে কিছু নেই। এমনকি ইবরাহীম (আঃ) যখন দেখতে চাইলেন আল্লাহ কীভাবে মৃতকে জীবিত করেন, তখন আল্লাহ শুধু চাক্ষুস দেখিয়ে দিয়েছেন যে তিনি মৃতকে জীবিত করতে পারেন। কিন্তু সেটা কীভাবে করা হলো, এর পেছনের মেকানিজমটা কী এসব কিছু জানানো হয়নি।

    "আর স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম বলল, হে আমার পালনকর্তা আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করবে। বললেন; তুমি কি বিশ্বাস কর না? বলল, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু দেখতে এজন্যে চাইছি যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বললেন, তাহলে চারটি পাখী ধরে নাও। পরে সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও, অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের উপর রেখে দাও। তারপর সেগুলোকে ডাক; তোমার নিকট দৌড়ে চলে আসবে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি জ্ঞান সম্পন্ন।" (সূরা বাকারাহ ২:২৬০)
    [/HIDE-THANKS]
     
  5. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]জাদুকর ও জিনদের অদৃশ্যের জ্ঞান নেই

    গায়েব বা অদৃশ্য দুইরকমের আছে। একটা হলো আপেক্ষিক অদৃশ্য। এটা কেউ জানে, কেউ জানে না। যেমন আপনার টাকা চুরি হলো। আপনি জানেন না চোর কে। পুলিশ এখনো তদন্ত করে বের করতে পারেনি চোর কে। কিন্তু চোর নিজে জানে সে যে চোর। সে যার কাছে চুরি করা টাকা রেখেছে সেও জানে কে চোর। আবার অতীতও এক ধরণের গায়েব। অতীতের এমন কোনো ঘটনা যার কোনো সাক্ষী বেঁচে নেই বা কোনো দলীল অবশিষ্ট নেই, তা আপনার কাছে গায়েব। কিন্তু ঘটনার সাক্ষীদের কাছে তা গায়েব ছিলো না। এ সবই আপেক্ষিক গায়েবের উদাহরণ।
    [/HIDE-THANKS]
     
  6. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]আর কিছু হলো পরম অদৃশ্য। আল্লাহ ছাড়া কেউ তা জানে না। যেমন কিয়ামাত কখন হবে কেউ জানে না আল্লাহ ছাড়া।

    "তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।" (সূরা জিন ৭২:২৬)

    আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী ফেরেশতা বা নবী রাসূলকে ভবিষ্যতের কোনো ঘটনা সম্পর্কে জানাতে পারেন। তবে সেসব মাখলুক ততটুকুই জানে যতটুকু আল্লাহ জানান, এর বাইরে নয়।

    "(হে নবী!) আপনি বলুন, আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই।" (সূরা আনআম ৬:৫০)

    তাই জাদুকর ও জিনেরা গায়েব জানে না। হ্যাঁ, জিনেরা তাদের গতি বা দীর্ঘ আয়ুর কারণে কিছু আপেক্ষিক গায়েব আপনার চেয়ে বেশি জানতে পারে। এসব বিষয় তারা গণক-জাদুকরদের জানালে তারা এসব বলে কেরামতি দেখায়।

    পূর্বে বলা হয়েছে জিনেরা উর্ধ্বাকাশে আড়ি পেতে কথা শুনতো। সেগুলোও পূর্ণ জ্ঞান নয়। বরং যতটুকু শুনেছে, তার যতটুকু মনে রাখতে পেরেছে সেটুকুই। এখন তাদের সে উপায়ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
    [/HIDE-THANKS]
     
  7. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]রাসূলুল্লাহর উপর জাদু করা হলো যখন (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)

    নবী রাসূলগণ (আঃ) ছিলেন আমাদের মতই মানুষ। শুধু তাঁদের উপর ওয়াহী নাযিল হতো। আল্লাহর সৃষ্ট যেসব প্রাকৃতিক নিয়ম মানুষের উপর প্রযোজ্য, তা নবী রাসূলগণের উপরও প্রযোজ্য। তাঁরাও সুরক্ষার জন্য আল্লাহর মুখাপেক্ষী। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাকে বিপদ থেকে বাঁচাতে চাইলে সম্ভাব্য অনেকরকম পদ্ধতিতেই বাঁচাতে পারেন। এখানে আমাদের বলার কোনো অধিকার নেই যে এভাবে না করে ওভাবে কেন করা হলো না।

    উদাহরণস্বরূপ, জাদুকররা তাদের লাঠি ও দড়ি ছুঁড়ে মারার পর সেগুলোকে সাপের মত দেখে মূসা (আঃ) ভয় পেয়েছিলেন। এটি মানবীয় ভয় যা অতি স্বাভাবিক। কিন্তু এসব ভয়ের ফলে আল্লাহকে অমান্য করা হলে সেটা হতো গুনাহ। যাই হোক, আল্লাহ মূসা (আঃ) কে মুজিযা প্রদান করে জাদুকরদের উপর বিজয় দান করেন। এটা আল্লাহ অন্যভাবেও করতে পারতেন। জাদুকররা আসার আগেই তাদেরকে পরাজিত করাতে পারতেন। লাঠিকে সাপ বানানো ছাড়া অন্যরকম কোনো মুজিযা দিতে পারতেন। আল্লাহর কাছে কিছুই অসম্ভব নয়। কিন্তু যে পদ্ধতিতে তিনি চেয়েছেন, সেভাবেই করেছেন।
    [/HIDE-THANKS]
     
  8. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উপর জাদু করা সম্ভব হয়েছিলো তিনি মানুষ বলেই। আল্লাহ চাইলে জাদু কার্যকর হওয়ার আগেই রাসূলকে বাঁচাতে পারতেন। কিন্তু তিনি চেয়েছেন জাদু সংঘটিত করার পরে বাঁচাবেন, তাই পরে বাঁচিয়েছেন। এটাই আল্লাহর ইচ্ছা।

    ইয়াহুদী গোত্র বনু যুরাইকের এক জাদুকর ছিলো লাবিদ বিন আসাম। সে এই জাদু করে। রাসূলের (সাঃ) চিরুনিতে আটকানো চুল সংগ্রহ করিয়ে পুরুষ খেজুর গাছের পরাগের চামড়ার সাথে মিলিয়ে জাদু করা হয়। এটি যি আরওয়ানের কূপের ভেতর রেখে দেওয়া হয়। জাদুর প্রভাবে রাসূলুল্লাহর মনে হতো কোনো একটা কাজ তিনি করেছেন, আসলে বাস্তবে তিনি তা করেননি।

    তিনি আল্লাহর কাছে দীর্ঘ দুআ করলেন। তাঁকে স্বপ্নে দেখানো হলো যে দুজন ফেরেশতা এসে তাঁর মাথা ও পায়ের কাছে বসলেন। তাঁরা কথোপকথনের ভঙ্গিতে জাদুর বিষয়টি জানান। কে করেছে, কীভাবে করেছে তাও জানান। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) উক্ত কূপ থেকে জাদুর জিনিসটি তুলে নষ্ট করান এবং কূপটি মাটি দিয়ে ভরে দেন।
    [/HIDE-THANKS]
     
  9. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সূরা ফালাক ও নাস নাযিল হয় বলে তাফসিরে উল্লেখ আছে। আসন্ন পর্বগুলোতে জাদু ও কুনজর থেকে সুরক্ষার উপায় হিসেবে আলোচিত হবে ইনশাআল্লাহ।

    এই ঘটনা থেকে আমরা জাদুর সেই একই ধর্ম দেখলাম। জাদুর প্রভাবে এমন কিছু দেখা যায় যা আসলে বাস্তবে ঘটেনি। আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে গিয়ে জাদু কোনো ক্ষতি করতে পারে না।

    কুরআনে আল্লাহ মানুষ ও জিনকে চ্যালেঞ্জ করেছেন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কুরআনের অনুরূপ কিছু বানাতে। জিনেরা যদি রাসূলের বিরোধিতায় হাত না লাগাতো, তাহলে এই চ্যালেঞ্জ পূর্ণ হতো না। জাদুটোনায় জিন ও মানুষ একসাথে কাজ করে। তাই ইসলামের বিরুদ্ধে তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলো এই ঘটনার মাধ্যমে। নাযিলকৃত ওয়াহীর মধ্যে জাদুর প্রভাবে কোনো বিকৃত সৃষ্টি করা সম্ভব হলো না।
    [/HIDE-THANKS]
     
  10. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,710
    Likes Received:
    1,393
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]বদনজর সত্য

    বদনজর হলো হিংসুকের হিংসার ফল। কাউকে কোনো নিয়ামাত পেতে দেখলে, সে সেটা হারিয়ে ফেলুক- এমন বাসনাই হলো হিংসা। হিংসার ফলে হিংসুকের কোনো লাভ হয় না। এমন না যে সেই নিয়ামাত ঘুরে এসে হিংসুকের কপালে নসিব হয়। হিংসার ফলে হিংসুকের কোনো লাভ হয় না। তবে তার বদনজরে পতিত ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    হিংসার ফলাফল চোখে দেখা যায় না বলে এটি কোনো ক্ষতি করতে পারে না- এমনটা ভাবা ঠিক নয়। মাইক্রোস্কোপিক জীবাণু দিয়েই সবচেয়ে বড় বড় রোগগুলো হয়।
    [/HIDE-THANKS]
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)