1. Hi Guest আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Huge Collection E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Dismiss Notice
Hi Guest! Welcome to Kazirhut.com. we would love to see you something. Please visit this funny thread "আগষ্ট ২০১৭ ইং মাসের হাজিরার ফলাফল" and discover kazirhut's entertainment event so that you can pass some funny times with us. Thnx.

Islamic জিন, জাদুটোনা ও বদনজর

Discussion in 'Role Of Islam' started by kaium, Oct 23, 2016. Replies: 54 | Views: 980

  1. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]লেজার রশ্মি, এক্স রে ইত্যাদি আবিষ্কার হওয়ার আগে আমরা জানতামও না এগুলো দিয়ে যে এতকিছু করা যায়। আজকাল লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কোনো কাটাছেঁড়া ও রক্তপাত ছাড়াই জটিল অপারেশন সম্পন্ন হচ্ছে। বদনজরও এমন জিনিস যা আমাদের অলক্ষ্যেই টার্গেটে আঘাত হানে।

    মানুষ যখন রেগে যায় তখন আমরা বলি তার চোখ দিয়ে যেন আগুন ঝরছে। অথবা অগ্নিদৃষ্টি, দৃষ্টির আগুনে ভস্ম করে ফলা। আসলে তো মানুষের চোখ থেকে কিছু বের হয় না। কিন্তু ওই বিশেষ সময় চোখ এমন দেখায় যার ফলে আমাদের মনে এ ধরণের উপমাগুলো আসে।
    [/HIDE-THANKS]
     
  2. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]হিংসুক যখন হিংসা করে

    বদনজরের অস্তিত্ব কুরআন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সূরা ফালাক্বে হিংসুকের হিংসা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া হয়েছে।

    "এবং হিংসুকের হিংসা থেকে যখন সে হিংসা করে।" (সূরা ফালাক্ব ১১৩:৫)

    রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "কুনজর সত্য।" উপর্যুক্ত আয়াত থেকে বোঝা যায় যে মানুষের চোখ সবসময় কোনো হিংসা-রশ্মি নির্গত করতে থাকে না। যখন সে কারো নিয়ামাত দেখে মনে হিংসা অনুভব করে, তখনই এই বিশেষ অদৃশ্য উপাদানের কাজ শুরু হয়। তাই বলা হয়েছে " যখন সে হিংসা করে।"
    [/HIDE-THANKS]
     
  3. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]গিঁটে ফুঁ দেওয়া নারী

    সূরাটিতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে

    "এবং গিটে ফুঁ দানকারিনী নারীর অনিষ্ট হতে।" (সূরা ফালাক্ব ১১৩:৪)

    নারী বলা হলেও এখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল জাদুকর বোঝানো হয়েছে। জাদু করার পদ্ধতিসমূহের মাঝে একটি হলো এরকম সুতায় গিট্টু দিয়ে তাতে কুফরি কালাম ইত্যাদি পড়ে ফুঁ দেওয়া। এই আয়াতে আল্লাহর কাছে জাদুটোনার ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাওয়া হচ্ছে।
    [/HIDE-THANKS]
     
  4. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]ফালাক্ব এর রব্ব

    রাতের আঁধার বিদীর্ণ করে যখন আলোকরশ্মি বের হয়ে আসে, সে সময়টার নাম ফালাক্ব। আঁধার অবস্থায় আমরা অসহায় হয়ে পড়ি। ঘুমন্ত অবস্থায় আমরা নিরাপত্তাহীন থাকি। চোর ডাকাত থেকে শুরু করে জাদুকর ও জিন শয়তানের কাজ করার সময় এই রাত। কিন্তু আল্লাহকে নিদ্রা বা তন্দ্রা স্পর্শ করে না। তিনি সর্বাবস্থায় আমাদের নিরাপত্তা দেন। আঁধার থেকে আলোতে আনার মালিকও তিনি। তাই তাঁকে বলা হয়েছে রব্বিল ফালাক্ব।[/HIDE-THANKS]
     
  5. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]সৃষ্টির অনিষ্ট

    আল্লাহ আমাদের যা দিয়েছেন সেসব আমরা ভাল কাজে লাগাতে পারি, খারাপ কাজেও লাগাতে পারি। যেমন আঙ্গুর থেকে মদও হয়, পবিত্র খাদ্যও হয়। অস্ত্র দিয়ে জিহাদও করা যায়, অন্যায় হত্যাও করা যায়। তাই আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন, সেসবের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে এই আয়াতে।[/HIDE-THANKS]
     
  6. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]হিংসার কারণ

    হিংসার কারণ হলো আল্লাহ যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকা।

    "পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর যত বিপদ আসে, তা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ। এটা এজন্যে বলা হলো, যাতে তোমরা যা হারাও তজ্জন্যে দুঃখিত না হও এবং তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন, তজ্জন্যে উল্লসিত না হও। আল্লাহ কোন উদ্ধত অহংকারীকে পছন্দ করেন না।" (সূরা হাদীদ ৫৭:২২-২৩)

    তাকদীরের ভাল মন্দের প্রতি বিশ্বাস থাকলে, ভাল কিছু ঘটলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলে, খারাপ কিছু ঘটলে সবর করলে আমরা হিংসা করা থেকে বাঁচতে পারবো।
    [/HIDE-THANKS]
     
  7. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]ঝাড়ফুঁক করাকে বলা হয় রুকিয়া। কোনোরকম শির্ক কুফরের আশ্রয় না নিলে রুকিয়া করা জায়েয। তিনটি শর্ত পূরণ করলে রুকিয়া জায়েয হয়:
    ১। রুকিয়া করতে হবে কুরআনের আয়াত, আল্লাহর নামসমূহ, যিকির ইত্যাদি দিয়ে।
    ২। রুকিয়া আরবিতে অথবা মানুষের বোধগম্য ভাষায় হতে হবে। যারা ঝাড়ফুঁক করতে দুর্বোধ্য বিড়বিড় করে তারা কুফরি কালাম পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

    ৩। রুকিয়ার নিজস্ব কোনো ক্ষমতা আছে বলে বিশ্বাস করা যাবে না। সুস্থতা দেওয়ার মালিক আল্লাহ।

    শির্কি কুফরি উপায়ে যারা ঝাড়ফুঁক করে তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো (জিন শয়তান, ফেরেশতা, নেককার বুজুর্গ আউলিয়া, এমনকি নবীর) সাহায্য চায়।

    তাবিজ ঝোলানো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শির্ক। এতে কুফরি কালাম, জিন শয়তানদের নাম ইত্যাদি থাকে। এভাবে তাবিজের অনুরূপ যে কোনো তালিসমান, পাথর ইত্যাদি ঝোলানো, গাড়িতে-বাড়িতে-গলায় যেখানেই হোক, জায়েয নেই। যে তাবিজে কুরআনের আয়াত থাকে তা ব্যবহারের বিষয়ে মতভেদ আছে।
    [/HIDE-THANKS]
     
  8. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]জাদু আক্রান্তের চিকিৎসা

    জাদু হারাম উপায়েও চিকিৎসা করা যায়। এজন্য অন্য জাদুকরের কাছে যাওয়া হয়। তুকতাক, তন্ত্র মন্ত্র, জিনের সাহায্য চিকিৎসা করে। কিন্তু এতে স্থায়ী সমাধানও হয় না, গুনাহও হয়।

    কুরআন সুন্নাহ সম্মত উপায়ে জাদু নষ্ট করার সেরা পদ্ধতি হলো জাদুর বস্তুটি নষ্ট করে ফেলা, যেমনটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছেন বলে আমরা আগের আলোচনায় দেখেছি।
    [/HIDE-THANKS]
     
  9. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]কিছু জাদু খাবারের সাথে দেওয়া হয়। এগুলো বমি, পায়খানা, হিজামা(cupping) করে দূষিত রক্ত বের করা, ঘাম ইত্যাদির মাধ্যমে বের করা হয়। এটি জাদুর প্রকৃতির উপর নির্ভর করে একেক রকম হয়।

    কিছু জাদু পুড়িয়ে নষ্ট করতে হয়। কিছু জাদু আবার পুড়িয়ে গন্ধ নিলেই কার্যকর হয়। সেগুলো পোড়ানো যাবে না। ঝাড়ফুঁককারী ভালো আলেমের সাহায্যে জাদুর সঠিক প্রকৃতি ও চিকিৎসা নির্ণয় করতে হবে। কিছু জাদু জিনের মাধ্যমে পাঠানো হয়। রুকিয়া করে জিন তাড়ালে তা ভালো হয়।

    কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমেও জাদুর প্রভাব নষ্ট করা যায়।
    [/HIDE-THANKS]
     
  10. kaium
    Offline

    kaium Ex-Staff

    Joined:
    Aug 17, 2012
    Messages:
    2,709
    Likes Received:
    1,358
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    126
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    [HIDE-THANKS]জিনের স্পর্শ- লক্ষণ ও কারণ

    জিন মানুষের দেহের বাইরে থেকে বা ভেতর থেকে আছর করতে পারে। এই আক্রমণ সারা দেহেও হতে পারে, নির্দিষ্ট অঙ্গেও হতে পারে। দীর্ঘ সময়ের জন্য হতে পারে, স্বল্প সময়ের জন্য হতে পারে (চিৎ হয়ে ঘুমানো অবস্থায়)।

    জিনের আছরের ফলে খিঁচুনি ও অন্যান্য লক্ষণ দেখা দিতে পারে। জিনের আছর আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষার জন্য হতে পারে। কেউ আল্লাহর ইবাদত থেকে গাফেল হয়ে গেলে এসব কষ্টের মাধ্যমে কাফফারা হতে পারে। মানুষ অজান্তে জিনের গায়ে মূত্র বিসর্জন, পাড়া দেওয়া, কিছু ছুঁড়ে মারা ইত্যাদি করে থাকতে পারে। সেক্ষত্রে জিন ক্রোধান্বিত হয়ে প্রতিশোধ নিতে আছর করতে পারে। কোনো জিন কোনো মানুষের প্রেমে পড়ে তাকে আছর করতে পারে। অথবা জিনের মাধ্যমে কোনো জাদুকর জাদু করে থাকতে পারে। মুসলিম জিনকে আল্লাহকে ভয় করার কথা বলে ছাড়ানো সহজ। অমুসলিম বা শয়তান জিনের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় রুকিয়া করা লাগতে পারে।
    [/HIDE-THANKS]
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)

Users found this page by searching for:

  1. জিনকে কষ্ট দেওয়া