1. Hi Guest Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Huge Collection E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic আলেমগণের মধ্যে মতভেদের কারণ

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Sep 17, 2017. Replies: 11 | Views: 146

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    25,189
    Likes Received:
    3,941
    Gender:
    Male
    Reputation:
    860
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ২. হাদীছ থেকে :
    রাসূল (ছাঃ) যখন আহ্‌যাবের যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে যুদ্ধাস্ত্র খুলে রাখলেন, তখন জিবরীল (আঃ) এসে তাঁকে বললেন, আমরা অস্ত্র ছাড়িনি। সুতরাং আপনি বনী ক্বোরায়যার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ুন। ফলে রাসূল (ছাঃ) তাঁর ছাহাবীগণকে বেরিয়ে পড়ার আদেশ দিলেন এবং বললেন, لاَ يُصَلِّيْنَّ أَحَدٌ العَصْرَ إِلاَّ فِيْ بَنِيْ قُرَيْظَةَ، ‘তোমাদের কেউ যেন বনী ক্বোরায়যার নিকট পৌঁছা ছাড়া আছরের ছালাত না পড়ে’। দেখা গেল, ছাহাবীগণ এই হাদীছটি বুঝার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করলেন। তাঁদের কেউ কেউ বুঝলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর উদ্দেশ্য হ’ল, বনী ক্বোরায়যার উদ্দেশ্যে দ্রুত রওয়ানা করা, যাতে আছরের সময় হওয়ার আগেই তাঁরা বনী ক্বোরায়যাতে পৌঁছে যান। সেজন্য তাঁরা রাস্তায় থাকা অবস্থায় যখন আছরের ছালাতের সময় হ’ল, তখন ছালাত আদায় করে নিলেন এবং ছালাতের শেষ ওয়াক্ত পর্যন্ত ছালাতকে বিলম্বিত করলেন না। আবার তাঁদের অনেকেই বুঝলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর উদ্দেশ্য হল, তাঁরা যেন বনী ক্বোরায়যায় পৌঁছার পূর্বে ছালাত আদায় না করে। সেজন্য তাঁরা ছালাতকে বনী ক্বোরায়যাতে পৌঁছার সময় পর্যন্ত বিলম্বিত করলেন; এমনকি ছালাতের ওয়াক্তও শেষ হয়ে গেল।
    (বুখারী হা/৯৪৬ ‘ভয়-ভীতি’ অধ্যায়; মুসলিম হা/১৭৭০।)

    নিঃসন্দেহে যাঁরা সঠিক সময়ে ছালাত আদায় করেছেন, তাঁদের বুঝই ছিল সঠিক। কেননা সময়মত ছালাত ওয়াজিব হওয়ার উদ্ধৃতিগুলি ‘মুহকাম’ (محكمة)বা ‘সুস্পষ্ট’। পক্ষান্তরে এই উদ্ধৃতিটি হচ্ছে ‘মুতাশাবিহ’ (مةشابهة) বা ‘অস্পষ্ট’।আর নিয়ম হচ্ছে, মুহকাম মুতাশাবিহ-এর উপর প্রাধান্য পাবে। অতএব বুঝা গেল, কোন দলীলকে আল্লাহ ও তদীয় রাসূল (ছাঃ)-এর উদ্দেশ্যের উল্টা বুঝা মতানৈক্যের অন্যতম একটি কারণ।
     
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    25,189
    Likes Received:
    3,941
    Gender:
    Male
    Reputation:
    860
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    কারণ ৫ : ভিন্নমত পোষণকারীর নিকটে হাদীছ পৌঁছেছে। কিন্তু হাদীছটি রহিত এবং সে রহিতকরণ সম্পর্কে জানে না :

    হাদীছটি ছহীহ এবং তার অর্থ ও তাৎপর্যও বোধগম্য। কিন্তু তা রহিত। আর উক্ত আলেম যেহেতু হাদীছটি রহিত হওয়ার বিষয়ে জানেন না, সেহেতু সেটি তার জন্য ওযর হিসাবে গণ্য হবে। কেননা [শারঈ বিধানের ক্ষেত্রে] আসল হ’ল, রহিত হওয়ার ইলম না থাকলে, রহিত না হওয়া।

    এ কারণে মুছল্লী রুকূতে গিয়ে কিভাবে তার হস্তদ্বয় রাখবে, সে বিষয়ে ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) ভিন্নমত পোষণ করেছেন। ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুছল্লীর জন্য বৈধ ছিল (রুকূতে) দুই হাত একত্রে করে দুই হাঁটুর মাঝখানে রাখা। কিন্তু পরবর্তীতে তা রহিত হয়ে যায় এবং দুই হাত দুই হাঁটুর উপরে রাখার বিধান চালু হয়। ছহীহ বুখারীসহ অন্যান্য হাদীছ গ্রন্থে রহিত হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
    (বুখারী হা/৭৯০, ‘আযান’ অধ্যায়।) কিন্তু ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) রহিত হওয়ার বিষয়টি জানতেন না। ফলে তিনি দুই হাত একত্র করে দুই হাঁটুর মাঝখানেই রাখতেন। [একদিন] তাঁর পাশে আলক্বামা ও আল-আসওয়াদ (রাঃ) ছালাত পড়লে এবং তাঁরা তাঁদের দুই হাত দুই হাঁটুর উপর রাখলেন। কিন্তু ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) তাঁদেরকে অনুরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং দুই হাতকে একত্রিত করে দুই হাঁটুর মাঝখানে রাখার আদেশ করলেন। (মুসলিম হা/৫৩৪ ‘মসজিদ সমূহ’ অধ্যায়।) কারণ তিনি রহিত হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেননি। আর মানুষের উপর তার সাধ্যের বাইরে কোন কিছু চাপানো হয়নি। মহান আল্লাহ বলেন, لاَ يُكَلِّفُ اللهُ نَفْساً إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ-‘আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না। সে তাই পায়, যা সে উপার্জন করে। আর তাই তার উপর বর্তায়, যা সে করে’ (বাক্বারাহ ২৮৬)।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)